Skip to main content

Posts

Showing posts with the label Love

ভালই হইছে তুমি চইলা গেছো,

ভালোই হইছে তুমি চইলা গেছো— থাইকা গেলে ম্যালা ক্ষয়ক্ষতি হইতো। ঘন্টায় ঘন্টায় ফোন কইরা কি করো, কেমন আছো? সারাদিন এইসব খোজখবর নিয়া বাড়াবাড়ি রকম মায়া দেখাইতে হইতো। দুইবেলা ভাতের জায়গায় আমার একবেলা কম খাইলেও চলতো, কিন্তু তোমার লগে একবেলা কথা কম হইলে আমার চলতো না। মনের ভিতর খচখচ করতো, অস্থির অস্থির লাগতো।  ভালোই হইছে তুমি চইলা গেছো— তুমি থাইকা গেলে আমি কোনোদিনও একলা বাঁচা শিখতাম না। জ্বর হইলে প্যারাসিটেমলের বদলে খুঁজতে হইতো তোমার হাত। তুমি ছাড়া নিজেরে কাছে নিজেরে মনে হইতো ডানা ভাঙা আহত পাখি। খোলা আসমান পাইতাম ঠিকি কিন্তু উড়তে পারতাম না। তার চাইতে ভালোই হইছে তুমি চইলা গেছো— তুমি থাইকা গেলে পিরিত কইমা যাইতো। বছরের পর বছর এক পাতিলে, এক বাটিতে পাকখাইয়া যাইতে যাইতে মুখে অরুচি বাধঁতো, তিক্ততা চইলা আসত। তুমিও তো একবেলা ঝগড়া হইলে পরের বেলা ভাবতা ভুল মানুষের লগে থাইকা গেলাম না তো? মনে মনে ঘৃণার পাহাড় বানাইয়া ভিতরে ভিতরে ছটপট কইরা মরতা, কিন্তু কাউরে কইতে পারতা না। খারাপ লাগতো, পালাইতে চাইতা, কিন্তু পরতা না। সব চইলা যাওয়ার মাঝে যেমন প্রস্থান নাই,  তেমনই সব পাইয়া যাওয়ার মাঝেও অর্জন নাই। তুমি থাই...

কোথায় গেলে আপনারে পাওয়া যায়,

মানুষ কয় অর্ধেক রুটি খরচ করলে কুকুর প্রেমে পইড়া যায়,অর্ধেক সিগারেট খরচ করলে শত্রু বন্ধু হইয়্যা যায়, অথচ আমি আপনারে ভালোবাইসা আপনার লাইগ্যা আমার আস্ত একখান জীবন খরচ কইরা দিবার পরও আপনি মানুষখান আমার হইলেন না। দুনিয়ার কোন ভিক্ষুক অমন কইরা কারোও দরজায় ভিক্ষা চায় নাই, আমি যেমন কইরা আপনার দরজায় একচিমটি ভালোবাসা ভিক্ষা চাইছি। দুনিয়ার কোন মানুষ জীবন হারাইবার ভয়ে অমন হাউমাউ কইরা কাইন্দা উঠে নাই, আমি যেমন কইরা আপনারে হারানো ভয়ে কাইন্দা উঠছি। দুনিয়ার কোন ক্ষুধার্ত মানুষ খাওনের লাইগ্যা অত নতজানু হয় নাই। আমি যতখানি আপনার পাওনের লাইগয়া নতজানু হইছি। কোন নিঃসন্তান মা'ও সন্তান পাওনের লাইগাও অমন কইরা মাজার মসজিদে কপাল ঠেকায় নাই, আমি যেমন কইরা আপনারে পাওনের লাইগ্যা কপাল ঠেকাইছি। কোনো বেকার ছাওয়াল অমন কইরা চাকরি খুঁজে নাই আমি যেমন কইরা আপনারে পাওয়ার তরিকা খুঁজছি। দুনিয়ার বেবাক মানুষ বুঝল, আপনারে আমার লাগবোই লাগবো—শুধু আপনি মানুষখান বুঝলেন না।  আপনারে গাঙ্গের জলে পাইলো, পথের ধূলে পাইলো, গাছের ফুলে পাইলো, আসমানের বৃষ্টি পাইলো, সমুদ্ররের জলে পাইলো, কবিতার ছন্দে পাইলো, গানে সুরে পাইলো, কতো অজানা অচেনা মা...

আক্ষেপ

জীবনের সবচেয়ে গভীর আক্ষেপটা আসলে দুঃখ পাওয়ায় নয়, আক্ষেপটা হয় তখন—যে মানুষটা আপনাকে সবচেয়ে বেশি ভেঙে দিয়েছে, তার চোখে একফোঁটাও অনুশোচনার ছায়া খুঁজে পাওয়া যায় না। যে মানুষটার কথায়, আচরণে, অবহেলায় আপনার জীবন ধীরে ধীরে নরকে পরিণত হয়েছে—সেই মানুষটাই সবচেয়ে স্বাভাবিক ভঙ্গিতে বেঁচে থাকে। এমন ভাব করে, যেন কিছুই ঘটেনি। যেন আপনার কান্না, আপনার রাত জাগা দীর্ঘশ্বাস, আপনার নিঃশেষ হয়ে যাওয়া মন—সবই ছিল তুচ্ছ কোনো ভুল বোঝাবুঝি। সবচেয়ে যন্ত্রণার জায়গাটা এখানেই— যে মানুষটা আপনাকে শেষ করে দিয়েছে, সে মানুষটাই একদিন এমনভাবে সামনে দিয়ে হেঁটে যায়, যেন আপনার অস্তিত্বটাই তার জীবনে কখনো ছিল না। আর আপনি? আপনি স্মৃতির ভারে নুয়ে পড়েন, অন্যায়ের হিসাব মেলাতে মেলাতে নিজেকেই প্রশ্ন করেন, “ মানুষ এতটা নির্দয় কীভাবে হতে পারে? ” এই অবহেলিত যন্ত্রণাটাই জীবনের সবচেয়ে নীরব দুঃখ, যার কোনো বিচার নেই, কোনো ক্ষমা নেই। শুধু থেকে যায় আজীবনের এক নিঃশব্দ ক্ষত! লেখায়:- মোঃ ফাহাদ মিয়া🌼

ভালবাসা মানে অপেক্ষা

“ভালোবাসা মানে পাওয়া নয়, অপেক্ষা—যে অপেক্ষা মনকে ধীরে ধীরে মানুষ করে তোলে।”  যারা রবীন্দ্রনাথ পড়েছে,যারা শরৎচন্দ্র পড়েছে তারা জানে ভালোবাসা কি গভীর মনস্তাত্ত্বিক একটা অনুভুতি,না পাবার আকাঙ্ক্ষার তীব্রতা ঠিক কতখানি, একতরফা ভালোবাসার কি অদ্ভুত সৌন্দর্য। হুমায়ূন যারা পড়েছে তারাও জানে,শরীর কাছে পেয়েও মন ছুঁতে না পারার কষ্ট কিরকম, বাবা মায়ের কড়া শাসনে থাকা মেয়েটাও যদি কোনদিন তার প্রেমিককে বিয়ে করতে পারে সে ভালোবাসায় কি প্রচন্ড রকম আত্নহারা হতে পারে! আজকাল আমাদের পছন্দ রগরগে যৌন বর্ণনায় ভরা উপন্যাস,সিনেমা,সিরিজ। কাউকে দেখলাম,ভালো লাগলো, ডেট করলাম টাইপ। প্রথমে শরীরকে জেনে তারপর মনকে জানার গল্প‌ই এখন আমাদের প্রিয়। বাট মনকে কি আমরা আসলেই জানতে পারছি? মন বোঝা কি এত‌ই সহজ!! বলিউড একটা সিনেমা আছে 'Bajirao Mastani'.... ভালোবাসা যে কত তীব্র হতে পারে, শুধুমাত্র একবার চোখের দেখাতেই তা কত প্রতিবাদী হয়ে উঠতে পারে,তার জন্য কত অপমান যে সহ্য করা যায়! ভালোবাসাই পৃথিবীর একমাত্র জিনিস যা হেরে গেলেও জিতে যায়।  একটা সিনেমা আছে 'Raanjhanaa'..... একতরফা ভালোবাসার যে কি প্রচন্ড জোর...