Skip to main content

Posts

Showing posts with the label Life story

না শুনে থেমে যাবেন না

২০১৪ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর। নিউইয়র্ক স্টক এক্সচেঞ্জ। ঘণ্টা বাজল। একটা চীনা কোম্পানির শেয়ার বিক্রি হলো ২৫ বিলিয়ন ডলারে। ইতিহাসের সবচেয়ে বড় IPO। মঞ্চে দাঁড়িয়ে হাসছেন এক খাটো, চিকন চীনা ভদ্রলোক। নাম জ্যাক মা। সেদিন তিনি হলেন চীনের সবচেয়ে ধনী মানুষ। কিন্তু এই হাসির পেছনে লুকিয়ে আছে এমন এক অতীত, যেটা শুনলে বিশ্বাসই হবে না এটা একই মানুষের গল্প। রিওয়াইন্ড। হাংঝো, চীন। একটা গরিব ঘরের ছেলে, নাম মা ইউন। পড়াশোনায় ডাব্বা। অঙ্ক দেখলেই মাথা ঘোরে। কলেজ ভর্তি পরীক্ষায় ফেল, একবার না, দুইবার। তৃতীয়বারে কোনোমতে একটা সাধারণ কলেজে ইংরেজি নিয়ে ভর্তি। পাস করে হলো ইংরেজি শিক্ষক। বেতন? মাসে মাত্র ১২ ডলার। তারপর শুরু হলো "না"-এর বন্যা। পুলিশের চাকরি: না। একটা একটা করে ৩০টা চাকরিতে অ্যাপ্লাই করল: না, না, না। ৩০টাতেই না। হার্ভার্ডে অ্যাপ্লাই করল ১০ বার, ১০ বারই না। আর সবচেয়ে বিখ্যাত "না"-টা এলো KFC থেকে। শহরে নতুন KFC খুলেছে। ২৪ জন ইন্টারভিউ দিল। ২৩ জনের চাকরি হলো। বাদ পড়ল শুধু একজন: জ্যাক মা। ৩০টা "না"। ভাবতে পারেন? বেশিরভাগ মানুষ ৩ নম্বর "না"-তেই ভেঙে পড়ে।...

বাবা সব সময় পিছিয়ে থাকেন

"বাবা সব সময় পিছিয়ে থাকে, জানি না কেন" ১। মা ৯ মাস বহন করেন, বাবা ২৫ বছর ধরে বহন করেন, উভয়ই সমান, তবুও কেন বাবা পিছিয়ে আছেন তা জানেন না। ২। মা বিনা বেতনে সংসার চালায়, বাবা তার সমস্ত বেতন সংসারের জন্য ব্যয় করেন, উভয়ের প্রচেষ্টাই সমান, তবুও কেন বাবা পিছিয়ে আছেন তা জানেন না। ৩। মা আপনার যা ইচ্ছা তাই রান্না করেন, বাবা আপনি যা চান তা কিনে দেন, তাদের উভয়ের ভালবাসা সমান, তবে মায়ের ভালবাসা উচ্চতর হিসাবে দেখানো হয়েছে।  জানিনা কেন বাবা পিছিয়ে। ৪। ফোনে কথা বললে প্রথমে মায়ের সাথে কথা বলতে চান, কষ্ট পেলে ‘মা’ বলে কাঁদেন। আপনার প্রয়োজন হলেই আপনি বাবাকে মনে রাখবেন, কিন্তু বাবার কি কখনও খারাপ লাগেনি যে আপনি তাকে অন্য সময় মনে করেন না? ছেলেমেয়েদের কাছ থেকে ভালবাসা পাওয়ার ক্ষেত্রে, প্রজন্মের জন্য, বাবা কেন পিছিয়ে আছে জানি না। ৫। আলমারি ভরে যাবে রঙিন শাড়ি আর বাচ্চাদের অনেক জামা-কাপড় দিয়ে কিন্তু বাবার জামা খুব কম, নিজের প্রয়োজনের তোয়াক্কা করেন না, তারপরও জানেন না কেন বাবা পিছিয়ে আছেন। ৬। মায়ের অনেক সোনার অলঙ্কার আছে, কিন্তু বাবার একটাই আংটি আছে যেটা তার বিয়ের সময় দেওয়া...

মাদাম মেরি কুরির নোবেল প্রাইজের কাহিনী

"ইয়ে মানে আপনি নোবেল পাচ্ছেন বটে, কিন্তু প্রাইজটা নিতে আসবেন না প্লিজ। এমন চরিত্রহীনা নারী পুরস্কার নিতে এলে খুব বদনাম হবে আমাদের! আমরা.... আমরা আপনাকে বাড়িতে পৌঁছে দেব প্রাইজ।" ১৯১১ সাল। সারা দুনিয়াকে চমকে দিয়ে দ্বিতীয়বারের জন্য নোবেল প্রাইজ ঘোষণা হল বিজ্ঞানী মাদাম মেরি কুরির নামে। তার আগে দ্বিতীয়বার নোবেল কেউ পাননি। তাও আবার দুটো আলাদা বিভাগে! অথচ কী আশ্চর্য, নাম ঘোষণা করেই স্টকহোমের নোবেল কমিটি তড়িঘড়ি মেরি কুরিকে চিঠি লিখল,“দয়া করে আপনি কিন্তু পুরস্কার নিতে আসবেন না। আমরা আমাদের বদনাম চাইছি না। প্লিজ মাদাম! আমরা আপনাকে পুরস্কারটি পাঠিয়ে দেব যথাসময়ে।" মেরি কুরি বিস্মিত। আহতও। আটবছর আগে স্বামী পিয়েরের সঙ্গে যৌথভাবে যখন প্রথম নোবেল প্রাইজটি পেয়েছিলেন, অসুস্থতায় দুজনের কেউই যেতে পারেননি, এবার কেন যাবেন না? তিনি তো কোন অন্যায় করেননি! দৃঢ়ভাবে তিনি জানিয়ে দিলেন,“আমি পুরস্কার নিতে যাব। যাবই। ধন্যবাদ।” নোবেল কমিটি পড়ল মহা ফ্যাসাদে। মেরি কুরির নাম যখন ইন্টারনাল কমিটিতে চূড়ান্ত হয়েছে, তখনো অবধি যে তাঁদের হাতে এসে পড়েনি হাতে গরম ফরাসী সংবাদপত্রগুলো! কিন্তু সেগুলোয় যে এখন ছেয়ে যাচ...

পিপড়া কর্মকর্তা

এক কোম্পানীতে ছিলো এক পিপড়া।  সে প্রতিদিন ৯ টায় অফিসে ঢুকতো, তারপর কারো সঙ্গে সময় নষ্ট না করে সঙ্গে সঙ্গে কাজে বসে যেত। সে যে পরিমাণ কাজ করত তাতে কোম্পানির উৎপাদন হতো প্রচুর এবং এর ফলে সে আনন্দের সঙ্গেই জীবন নির্বাহ করত। ওই অফিসের সিইও সিংহ অবাক হয়ে দেখত,এই পিঁপড়াটি কোনো ধরনের সুপারভিশন ছাড়াই প্রচুর কাজ করছে।  সিংহ ভাবল পিঁপড়াকে যদি কারও সুপারভিশনে দেওয়া হয় তাহলে সে আরও বেশি কাজ করতে পারবে। কয়েক দিনের মধ্যেই সিংহ একটি তেলাপোকাকে পিঁপড়ার সুপারভাইজার হিসেবে নিয়োগ দিল। সুপারভাইজার হিসেবে এই তেলাপোকাটির ছিল দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা আর সে দুর্দান্ত রিপোর্ট লিখতে পারত। তেলাপোকাটি প্রথমেই সিদ্ধান্ত নিল, এই অফিসে একটি অ্যাটেনডেন্স সিস্টেম থাকা উচিত। কয়েক দিনের মধ্যেই তেলাপোকার মনে হলো,তার একজন সেক্রেটারি দরকার, যে তাকে রিপোর্ট লিখতে সাহায্য করবে।  সে একটা মাকড়সাকে নিয়োগ দিল এই কাজে যে সব ফোন কল মনিটর করবে আর নথিপত্র রাখবে। সিংহ খুব আনন্দ নিয়ে দেখল যে তেলাপোকা তাকে প্রতিদিনের কাজের হিসাব দিচ্ছে আর সেগুলো বিশ্লেষণ করছে গ্রাফের মাধ্যমে।  ফলে খুব সহজেই উৎপাদনের ধারা সম্পর্কে ধারণা নে...

বিজ্ঞানীদের মজার কথা ০১

(#আইনস্টাইনের_মজার_কিছু_ঘটনা:-) 1) আইনস্টাইনের এক সহকর্মী একদিন  তাঁর কাছে তাঁর টেলিফোন নম্বরটা চাইলেন।  তখন আইনস্টাইন একটি টেলিফোন বই খুঁজে  বের করলেন এবং সেই বই থেকে তাঁর নম্বরটা খুঁজতে লাগলেন। তখন সহকর্মী তাকে বললেন, ‘কী ব্যাপার, নিজের টেলিফোন নম্বরটাও মনে নেইআপনার।’ আইনস্টাইন বললেন, ‘না, তার দরকারই বা কী? যেটা আপনি বইতে পাবেন, সে তথ্যটা মুখস্ত করে #মস্তিস্ক খরচ করবেন কেন ?’ 2) আইনস্টাইন ছোটবেলায় তুলনামূলক অনেক দেরীতে কথা বলতে শেখেন। একারণে তাঁর বাবা মা অনেক দুশ্চিন্তায় ছিলেন। একদিন রাতে খাবার টেবিলে বসে সকলে খাচ্ছেন এমন সময় বালক আইনস্টাইন চিৎকার করে বললেন, ‘এই স্যুপটা বড্ড গরম। তাঁর বাবা-মা যেন হাঁফ ছেড়ে বাঁচলেন। ছেলের মুখে প্রথম কথা শুনে বাবা-মা বেশ অবাক হয়ে তাঁকে জিজ্ঞেস করলেন, ‘আগে তুমি কথা বলোনি কেন?’ উত্তরে আইনস্টাইন বললেন, ‘কারণ এর আগে তো সব #ঠিকই ছিল।’ 3) 1931 সালে কৌতুক অভিনেতা চার্লি চ্যাপলিন আইনস্টাইনকে আমন্ত্রণ জানান তার একটি শো দেখার জন্য। তখন চ্যাপলিনের সিটি লাইটস্ সিনেমার স্কিনিং চলছিল। পরে তারা শহরের পথ ধরে হেঁটে যাচ্ছিলেন, তখন চ্যাপলিন আইনস্টাইনকে...

শিক্ষনীয় কাহিনি

ড. মুহাম্মদ খানী বলছেন - একদিন আমি আমার গাড়িতে বসে ছিলাম, হঠাৎ প্রায় ষোল বছর বয়সী এক কিশোর এসে আমাকে বলল, স্যার আমি কি আপনার গাড়ির সামনের  গ্লাসগুলো পরিস্কার করে দিতে পারি? আমি বললাম - হ্যাঁ। সে যত্ন করে গ্লাস পরিষ্কার করে দিলে আমি তার হাতে ২০ ডলার গুঁজে দিলাম।ছেলেটি খানিক অবাক হয়ে বলল, আপনি কি আমেরিকায় থাকেন?আমি বললাম - হ্যাঁ। কেন? সে বলল, আমি কি এই ২০ ডলারের বদলে সেখানকার বিশ্ববিদ্যালয়গুলো সম্পর্কে কিছু কথা জানতে পারি? আমি তার বিনয় ও লেখাপড়ার প্রতি আগ্রহ দেখে তাকে কাছে ডেকে নিয়ে আলাপ শুরু করে দিলাম।  আলাপের শেষ দিকে তাকে জিজ্ঞাসা করলাম - তুমি এভাবে রাস্তায় গাড়ি পরিস্কারের কাজ করে বেড়াচ্ছ কেন , তুমি তো একজন মেধাবী ছাত্র? উত্তরে সে বলল, আমার দু বছর বয়সেই আমার বাবা মারা যান। আমার মা মানুষের বাসায় কাজ করেন। আমি এবং আমার ছোট বোন বাইরে টুকটাক কাজ করে বেড়াই বাড়তি কিছু রোজগারের আশায় যা দিয়ে আমাদের লেখাপড়ার খরচ চলে। আমি শুনেছি আমেরিকার বিশ্ববিদ্যালয়গুলো নাকি মেধাবী ছাত্রদের উচ্চতর লেখাপড়ার জন্য স্কলারশিপ দেয়। আমার খুব ইচ্ছা সেখানে পড়ার।কিন্তু সেখানে আমাকে সাহায্য করার মত তো কেউ নেই...

Asset and Liability

ASSET vs LIABILITY Son:  Dad, may I speak with you? Dad: Go ahead. Son: Among all my classmates, I am the only one without a car. It is embarrassing. Dad: What do you want me to do? Son: I need a car. I don't want to feel odd. Dad: Do you have a particular car in mind? Son: Yes dad (smiling) Dad: How much? Son: 5000 USD Dad: I will give you the money on one condition. Son: What is the condition? Dad: You will not use the money to buy a car but invest it. If you make enough profit from the investment, you can go ahead and buy the car. Son: Deal. Then, the father gave him a cheque of 5000 USD. The son cashed the cheque and invested it in obedience to the verbal agreement that he had with his father. Some months later, the father asked the son how he was faring. The son responded that his business was improving. The father left him.  When it was exactly a year after he gave him the money, the father asked him to show him how far the business has gone. The son readily agreed and t...

প্রিন্সেস ডায়ানা : সৌন্দর্য ও মানবিকতার এক স্বপ্নময় রানী

প্রিন্সেস ডায়ানা  :  সৌন্দর্য ও মানবিকতার এক স্বপ্নময় রানী প্রিন্সেস ডায়ানা ফ্রান্সিস স্পেন্সারের জন্ম 1 জুলাই, 1961, ইংল্যান্ডের স্যান্ড্রিংহামে।  এডওয়ার্ড জন স্পেন্সার এবং তার প্রথম স্ত্রী ফ্রান্সেস শ্যান্ড কিডের চার সন্তানের মধ্যে তিনি ছিলেন সর্বকনিষ্ঠ।  1975 সালে, তার বাবার উত্তরাধিকারসূত্রে আর্ল স্পেন্সার উপাধি পেয়েছিলেন।  এখানে তার জীবনের কিছু গুরুত্বপূর্ণ হাইলাইট রয়েছে:  - শিক্ষা: ডায়ানা নয় বছর বয়স পর্যন্ত বাড়িতে শিক্ষিত হয়েছিলেন, তারপরে রিডলসওয়ার্থ হল প্রিপ স্কুল এবং পরে ওয়েস্ট হিথ গার্লস স্কুলে পড়াশোনা করেছিলেন।  - বিবাহ: তিনি লন্ডনের সেন্ট পলস ক্যাথেড্রালে 29 জুলাই, 1981 তারিখে ওয়েলসের প্রিন্স চার্লসকে বিয়ে করেন।  - সন্তান: চার্লসের সাথে তার দুটি পুত্র ছিল: প্রিন্স উইলিয়াম (জন্ম 1982) এবং প্রিন্স হ্যারি (জন্ম 1984)।  - দাতব্য কাজ: ডায়ানা এইচআইভি/এইডস, ক্যান্সার এবং ল্যান্ডমাইনের শিকার ব্যক্তিদের সহায়তা সহ বিভিন্ন দাতব্য সংস্থার উত্সাহী সমর্থক ছিলেন।  - ফ্যাশন আইকন: তিনি একজন স্টাইল আইকন ছিলেন, প্রায়শই ফ্যাশন...

বাবার ঋন শোধ করা

“বাবা তুমি তো বলেছিলে পিতৃ ঋণ কোনদিন শোধ হয় না। তুমি ছাব্বিশ বছরে আমার পেছনে যত টাকা খরচ করেছো তুমি কি জানো আমি আগামী তিন বছরে সে টাকা তোমায় ফিরিয়ে দিতে পারবো”। বাবা : ( কিছুটা মুচকি হেসে) “একটা গল্প শুনবি?”ছেলেটা কিছুটা অপ্রস্তুত হয়ে গেল। নিচু স্বরে বললো-“বলো বাবা শুনবো……”তোর বয়স যখন চার আমার মাসিক আয় তখন দু হাজার টাকা। ওই টাকায় সংসার চালানোর কষ্ট বাড়ির কাউকে কখোনো বুঝতে দেইনি। আমি আমার সাধ্যের মধ্যে সব সময় চেষ্টা করেছি তোর ‘মা কে ‘সুখী করতে। তোকে যেবার স্কুলে ভর্তি করলাম সেবার ই প্রথম আমরা দুজন- আমি-আর তোর মা পরিকল্পনা করেছি আমরা তোর পড়ার খরচের বিনিময়ে কি কি ত্যাগ করবো। সে বছর তোর মাকে কিছুই দিতে পারিনি আমি। তুই যখন কলেজে উঠলি আমাদের অবস্থা তখন মোটা মুটি ভাল। কিন্তু খুব কষ্ট হয়েগেছিল যখন তোর মা খুব অসুস্থ হয়ে পড়েছিল। ঔষধ কেনার জন্য রোজ রোজ ওভারটাইম করে বাসে করে পায়ে হেটে ঘামে ভিজে বাড়ি ফিরতে খুব দুর্বিষহ লাগতো। কিন্তু কখোনো কাউকে বুঝতে দিইনি এমনকি তোর মা কেও না। একদিন শো রুম থেকে একটা বাইক দেখে আসলাম। সে রাতে আমি স্বপ্নেও দেখেছিলাম আমি বাইকে চড়ে কাজে যাচ্ছি। কিন্তু পরের দিন ...

হিংসার পরিনতি

বাসায় ঢুকবো তখনি খেয়াল করলাম আমার স্ত্রী চুপিচুপি আমার ছোট ভাইয়ের রুমে একটি স্বর্ণের চেইন হাতে নিয়ে প্রবেশ করলো।বিষয়টি আমার কাছে বেশ সন্দেহজনক মনে হওয়াতে আমিও সরাসরি বেডরুমে না গিয়ে আড়াল থেকে বোঝার চেষ্টা করলাম যে আমার স্ত্রী সজীবের রুমে গিয়ে আসলে করছেটা কি? আমাদের বেডরুমের দরজায় দাঁড়ালে সজীবের রুমের সবকিছু স্পষ্ট ভাবে দেখা যায় তাই আর একমুহূর্ত দেরী না করে সেখান থেকেই রুমি তথা আমার স্ত্রীর কর্মকাণ্ডের উপর নজরদারি করছি।একটু ভালোভাবে খেয়াল করতেই বুঝতে পারলাম রুমি চেইনটা সজীবের বিছানার নিচে আস্তে করে লুকিয়ে রাখলো।পরক্ষণেই ধীরপায়ে ওকে রুম থেকে বের হয়ে আসতে দেখে আমি তখনি নিজেকে সেখান থেকে সরিয়ে নিজেদের রুমে প্রবেশ করলাম।আমাকে হঠাৎ করে রুমে দেখে আমার স্ত্রী কিছুটা চমকে উঠে জিজ্ঞেস করলো, -- "কি ব্যপার? এতো তাড়াতাড়ি দোকান থেকে এসে পড়লে? আর যাবে না দোকানে?" আমি নির্লিপ্ত স্বরে বলি, -- "আজকে শরীরটা ভালো লাগছে না। সজীবকে দোকানে রেখে এসেছি। ওকে বলেছি একটু বিশ্রাম নিয়ে আবার যাবো। সে যাই হোক তুমি এতক্ষণ কি করছিলে?" আমার প্রশ্ন শুনে রুমি থতমত খেয়ে বললো, -- "কি আর করবো? রান্না...

নতুন সংসারের গল্প

আমার আর শ্রাবণীর বিয়ের ঠিক ৪দিন পর খেয়াল করি আমাদের বাসার কাজের মেয়েটা আর আসছে না। আমি তখন মাকে বলি, -- মা, শেফালী অসুস্থ নাকি? দুইদিন ধরে ওকে দেখছি না মা উত্তর দিলো, - কাজের মেয়ের আর দরকার নেই।  শুধু শুধু মাস গেলে এতগুলো টাকা দিতে হয়। তাছাড়া এখন তো বউমা আছে আমি আর মাকে কিছু বলি নি। বেলকনিতে দাঁড়িয়ে শুধু ভাবতে লাগলাম, আমার বিয়ের পর মা কাজের মেয়ে বিদায় করে দিলো অথচ আমার ছোট বোনকে বিয়ে দেওয়ার সময় উপহার সামগ্রীর সাথে সাথে একটা কাজের মেয়েও দিয়েছিলো এইসব কথা যখন ভাবছিলাম তখন শ্রাবণী আমার পিছনে দাঁড়িয়ে বললো, - তোমায় একটা কথা বলবো? আমি ওর দিকে তাকিয়ে বললাম, -- হুম, বলো শ্রাবণী তখন মাথা নিচু করে বললো, - আমার একজোড়া স্যান্ডেল লাগবে। হিল জুতা পরে চলাচল করতে সমস্যা হচ্ছে  শ্রাবণীর মুখ থেকে কথাটা শুনার পর  নিজের খুব লজ্জা লাগছিলো। আমার বউ ৪দিন ধরে হিল জুতা পরে চলাচল করছে আর আমি সেটা খেয়াল করি নি। আমার উচিত ছিলো বিষয়টা খেয়াল করা। আমি তখন শ্রাবণীকে বললাম, --ঠিক আছে আজকে আমি এনে দিবো  সন্ধ্যার পর বাসায় যখন ফিরি তখন শ্রাবণীর জন্য একজোড়া স্যান্ডেল কিনে আনি। কাগজে মুড়ানো স্যান্ডেলগুলো...

জে কে রাউলিং এর বায়োগ্রাফি

১৭ বছর বয়সে, তিনি কলেজ থেকে প্রত্যাখ্যাত হন। ২৫ বছর বয়সে, তার মা মারা যান। ২৬ বছর বয়সে, তিনি ইংরেজি শেখানোর জন্য পর্তুগালে চলে যান। ২৭ বছর বয়সে, তিনি বিয়ে করেছিলেন। তার স্বামী তার সাথে দুর্ব্যবহার করতেন। তাদের ঘরে একটি মেয়ে সন্তানের জন্ম হয়। ২৮ বছর বয়সে, তাদের বিবাহবিচ্ছেদ হয় এবং তিনি গুরুতর বিষণ্নতায় আক্রান্ত হন। ৩০ বছর বয়সে, তিনি এই পৃথিবীতে থাকতে চাননি। তবে, তিনি তার সমস্ত আবেগকে একটি জিনিস করার জন্য নির্দেশ করেছিলেন যা তিনি অন্য কারও চেয়ে ভাল করতে পারেন। আর সেটা ছিল 'লেখালেখি করা'। ৩১ বছর বয়সে, তিনি অবশেষে তার প্রথম বই প্রকাশ করেন। ৩৫ বছর বয়সে, তিনি, ৪টি বই প্রকাশ করেছিলেন এবং তাকে বছরের সেরা লেখক হিসাবে মনোনীত করা হয়েছিল। ৪২ বছর বয়সে, প্রকাশের প্রথম দিনে তার নতুন বইটির ১১ মিলিয়ন কপি বিক্রি হয়েছিল। সেই মহিলা হলেন জে.কে. রাউলিং। ৩০ বছর বয়সে কীভাবে তিনি আত্মহত্যার কথা ভেবেছিলেন তা মনে আছে? আজ, হ্যারি পটার হল একটি বিশ্বব্যাপী ব্র্যান্ড যার মূল্য $১৫ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি। কখনো হাল ছাড়বেন না। নিজের উপর বিশ্বাস রাখুন, কঠোর পরিশ্রম করুন, সাফল্য খুব বেশি দূরে নয়। ...