Skip to main content

Posts

Showing posts with the label Islamic

রিজিকে থাকলে খাবো ইন শাহ আল্লাহ

এক বন্ধুকে একদিন সন্ধ্যায় কফির নিমন্ত্রণ করেছিলাম। বন্ধু হেসে বলল,  - রিজিকে থাকলে ইনশাআল্লাহ কফি খেতে আসব।  একটু অবাক হয়ে বললাম, - আমি সবসময় তোর মুখে এই লাইনটা শুনি।  ধর্মীয় বিশ্বাস হতে বলিস নাকি কোন ঘটনা আছে?  বন্ধু একটু ইমোশনাল হয়ে গেল। বলল,  - কয়েক বছর আগের ঘটনা। মধ্যপ্রাচ্যের একটা দেশে অফিসের কাজে সংক্ষিপ্ত ট্যুরে গিয়েছিলাম। সেখানে অন্যান্য দেশের আরো কয়েকজন আমন্ত্রিত অতিথি এসেছিলেন। আমি একজন ইউরোপিয়ানকে নিয়ে হোটেল হতে একটা পোর্টে গিয়েছি। পোর্টে আমাদের কাজ সেরে ফেরার সময় ভদ্রলোক বললেন, আমার খুব ক্ষিদা পেয়েছে, আর খুব পিৎজা খেতে ইচ্ছা করছে।  বন্ধু একটু থেমে যোগ করল,  - আমরা মাঝপথে পিৎজা হাটের একটা আউটলেটে থেমেছি। উনি রেস্টুরেন্টে গিয়ে বসলেন, আমি কাউন্টারে গিয়ে বিল শোধ করে দুইটা চিকেন পিৎজা অর্ডার করে উনার সামনে গিয়ে বসলাম।  মিনিট বিশেক পর ওয়েটার দুইটা চিকেন পিৎজা নিয়ে এলো।  উনি চিকেন দেখে বললেন,  - আমার খুব ভেজিটেবল পিৎজা খেতে ইচ্ছা করছে। পাওয়া যাবে?  আমি আবার উঠে গিয়ে ভেজিটেবল পিৎজার দাম শোধ করে অর্ডার দিয়ে এলাম। ঠান্ডা হয়ে যাচ্ছ...

৪০ টি বাছাই করা মোনাজাত এর দোয়া

কোরআন থেকে বাছাই করা চল্লিশ টি দোয়া আপনার কালেকশনে রাখুন এবং প্রতিদিন পড়ুন : কোরআনের দোয়া (আরবি, উচ্চারণ ও অর্থ) ১. দুনিয়া ও আখিরাতের কল্যাণ আরবি: رَبَّنَا آتِنَا فِي الدُّنْيَا حَسَنَةً وَفِي الْآخِرَةِ حَسَنَةً وَقِنَا عَذَابَ النَّارِ উচ্চারণ: রব্বানা আতিনা ফিদ্দুনিয়া হাসানাহ, ওয়া ফিল আখিরাতি হাসানাহ, ওয়াকিনা আযাবান নার অর্থ: হে আমাদের রব, আমাদেরকে দুনিয়ায় কল্যাণ দাও, আখিরাতেও কল্যাণ দাও এবং আগুনের শাস্তি থেকে রক্ষা কর। (২:২০১) ২. হেদায়েতের পরে হৃদয় না বাঁকানোর দোয়া আরবি: رَبَّنَا لَا تُزِغْ قُلُوبَنَا بَعْدَ إِذْ هَدَيْتَنَا উচ্চারণ: রব্বানা লা তুযিগ কুলুবানা বা‘দা ইয হাদাইতানা অর্থ: হে আমাদের রব, তুমি আমাদেরকে হেদায়েত দেওয়ার পর আমাদের হৃদয়কে বাঁকা করে দিও না। (৩:৮) ৩. ক্ষমা ও রহমতের দোয়া (আদম আ.) আরবি: رَبَّنَا ظَلَمْنَا أَنفُسَنَا উচ্চারণ: রব্বানা যালামনা আনফুসানা অর্থ: হে আমাদের রব, আমরা নিজেদের উপর জুলুম করেছি। যদি তুমি আমাদের ক্ষমা না করো ও দয়া না করো তবে আমরা ক্ষতিগ্রস্ত হব। (৭:২৩) ৪. জ্ঞান বৃদ্ধির দোয়া আরবি: رَبِّ زِدْنِي عِلْمًا উচ্চারণ: রব্বি যিদনী ইলমা অ...

পরলোকগত কুয়েতি লেখক আব্দুল্লাহ যারাল্লাহ র মৃত্যুর আগে লিখে যাওয়া কিছু অনুভূতি -

পরলোকগত কুয়েতি লেখক আব্দুল্লাহ যারাল্লাহ র মৃত্যুর আগে লিখে যাওয়া কিছু অনুভূতি -  "মৃত্যু নিয়ে আমি কোনো দুশ্চিন্তা করবো না, আমার মৃতদেহের কি হবে সেটা নিয়ে কোন অযথা আগ্রহ দেখাবো না। আমি জানি আমার মুসলিম ভাইয়েরা করণীয় সবকিছুই যথাযথভাবে করবে।"  يُجَرِّدُونَنِي مِنْ مَلَابِسِي তারা প্রথমে আমার পরনের পোশাক খুলে আমাকে বিবস্ত্র করবে, يَغْسِلُونَني আমাকে গোসল করাবে, يَكْفِنُونَنِي (তারপর) আমাকে কাফন পড়াবে, يُخْرِجُونَنِي مِنْ بَيْتِي আমাকে আমার বাসগৃহ থেকে বের করবে, يَذهَبُونَ بِي لِمَسَكِنِي الجَدِيدِ (القَبْرُ) আমাকে নিয়ে তারা আমার নতুন বাসগৃহের (কবর) দিকে রওনা হবে, وَسَيَأتِي كَثِيرُونَ لِتَشْيِيْعِ الجَنَازَتِي আমাকে বিদায় জানাতে বহু মানুষের সমাগম হবে, بَلْ سَيَلْغِي الكَثِيرُ مِنهُم أَعْمَالَهُ وَمَوَاعِيدَهُ لِأَجْلِي دَفْنِي অনেক মানুষ আমাকে দাফন দেবার জন্য তাদের প্রাত্যহিক কাজকর্ম কিংবা সভার সময়সূচী বাতিল করবে, وَقَدْ يَكُونُ الكَثِيرُ مِنهُم لَمْ يَفَكِّرْ في نَصِيحَتِي يَوماً مِنْ الأيّامِ কিন্তু দুঃখজনকভাবে অধিকাংশ মানুষ এর পরের দিনগুলোতে আমার এই উপদেশগুলো নিয়ে গভীর ...

শিরক করে ফেলছি, অথচ টের পাই না। যেমনঃ

শিরক করে ফেলছি, অথচ টের পাই না। যেমনঃ ১- "ভাগ্যিস, জোরে ধরছিলাম, তা না হলে পড়েই যেতাম!" এখানে শির্ক কোথায় হলো?  আমি পড়ে যাই নি, কারণ দুইটা- আমার ভাগ্য আর আমি বা আমার বুদ্ধি। এখানে আল্লাহর কিছুই রাখি নি। এটা কুফুরীর পর্যায়ে পড়ে যায়।  এই অবস্থায় যা বলতে হতো- আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহ রক্ষা করেছেন। তা না হলে পড়েই যেতাম।  ২-" ভাই, বিয়ের সব ব্যবস্থা করে রেখেছি, বাকী আল্লাহ ভরসা। " এটা কেন শির্ক হবে?  কারণ আমার ব্যবস্থাপনাকে বড় করে আল্লাহকে বাকীটা দিলাম। এখানে নিজের ব্যাবস্থাপনাকে বড় করা হলো। আর আল্লাহর বিষয়টা শেষে রেখে আল্লাহকে ছোট করা হয়েছে।  এখানে বলা দরকার ছিলো- আল্লাহর ইচ্ছায় ও রহমতে ব্যবস্থা করেছি। কিন্তু সব কিছুই আল্লাহর ওপর ভরসা / হাওয়ালা করে দিয়েছি।  ৩- "একদম চিন্তা করবেন না, সব কিছু সময় মত ঠিক ঠাক পেয়ে যাবেন।" এখানে শির্ক কোথায় হলো?  এখানে ইনশাআল্লাহ না বলায় সব কিছু আমি নিলাম, আল্লাহকে কিছুই দিলাম না।  ৪- "খুব ভালো ডাক্তার। তার এক ডোজ ওষুধ খেয়ে আমি ভালো হয়ে গেছি" এখানে কোথায় শির্ক হলো?  এখানে সুস্থতার জন্যে ডাক্তার ও ও...

নবীজির কাহিনি

টগবগে যুবক আপনি। মসৃণ চেহারা। চমৎকার আপনার গড়ন। রাজপুত্রের মতো বললেও কম হয়ে যায়। দারুল আরকামে গেলেন একদিন আপনি। একটা মিষ্টি ঘ্রাণ পুরো জায়গা জুড়ে ছেয়ে গেল। সবার চোখ আটকে গেল আপনার দিকে। চেহারায় খানিকটা লজ্জা নিয়ে সালাম দিলেন সবাইকে। বসে পড়লেন একদম পেছনটায়। রাসূলুল্লাহ ﷺ তখন জান্নাত-জাহান্নামের আলোচনা করছিলেন। জাহান্নামের বর্ণনার সময় নিদারুণ এক ভয় স্পষ্ট হয় উপস্থিত সবার মুখে। আবার যখন জান্নাতের বর্ণনা আসে, সবাই হয়ে উঠে প্রাণবন্ত। আনন্দে খেলা করে উঠে অন্তরগুলো। একমনে শুনে গেলেন রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর সব কথা। ধীরপায়ে এগিয়ে গেলেন রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর কাছে। জগতের সবচেয়ে পবিত্র মানুষটার সাথে আপনি পাঠ করলেন সেই পবিত্র বাক্য। শাহাদাহ। শান্ত যুবকের পথচলা শুরু হলো। বুকে স্বপ্ন নিয়ে, রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর প্রতি ভালোবাসা নিয়ে এগিয়ে গেলেন আপনি। আসতে থাকল একের পর এক বাধা। সবচেয়ে ভালোবাসার মানুষ মা-ই আপনার বিরুদ্ধে চলে গেল। পরিত্যাগ করল পরিবার। খুলে ফেলা হলো আপনার সেই রাজপুত্রের লিবাস। দামি প্রসাধনী, দামি খাবার-দাবার, বন্ধ করে দেয়া হলো সব। কুরাইশের মুশরিকরা আপনার পেছনে লেগে গেল। বন্দি করে রাখল আপনাকে। এতকিছুর পরেও ...

নবীজির পিতার একটি সুন্দর কাহীনি

লেখাটি হৃদয় ছুঁয়েছে....৷  বিশ্বনবী মুহাম্মদ সা. এর পিতা আব্দুল্লাহ, একদিন মক্কার বাজারে গিয়েছিলেন কিছু কেনা-কাটা করার জন্য I এক জায়গায় তিনি দেখলেন, এক লোক কিছু দাস- দাসী নিয়ে রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে বিক্রি করছে I আব্দুল্লাহ দেখলেন সেখানে দাঁড়িয়ে আছে, একটা ছোট নয় বছরের কালো আফ্রিকান আবিসিনিয়ার মেয়ে I মেয়েটাকে দেখে আব্দুল্লাহর অনেক মায়া হলো, একটু রুগ্ন হালকা-পাতলা কিন্তু কেমন মায়াবী ও অসহায় দৃষ্টি দিয়ে তাঁকিয়ে আছে I তিনি ভাবলেন ঘরে আমেনা একা থাকেন, মেয়েটা পাশে থাকলে তার একজন সঙ্গী হবে I এই ভেবে তিনি মেয়েটাকে কিনে নিলেন I মেয়েটিকে আব্দুল্লাহ ও আমেনা অনেক ভালোবাসতেন I স্নেহ করতেন I এবং তারা লক্ষ্য করলেন যে, তাদের সংসারে আগের চেয়েও বেশি রাহমাত ও বরকত চলে এসেছে I এই কারণে আব্দুল্লাহ ও আমেনা মেয়েটিকে আদর করে নাম দিলেন "বারাকাহ"I এই গল্প, বারাকার গল্প I তারপর একদিন আব্দুল্লাহ, ব্যবসার কারণে সিরিয়া রওনা দিলেন I আমেনার সাথে সেটাই ছিল উনার শেষ বিদায় I উনার যাত্রার দুই এক দিন পর আমেনা একরাতে স্বপ্নে দেখলেন, আকাশের একটা তারা যেন খুব আলো করে তার কোলে এসে পড়লো I পরদিন...

99 Beautiful Names of Almighty ALLAH

99 Names of Allah with English meaning! 1. Allah (الله) The Greatest Name 2. Ar-Rahman (الرحمن) The All-Compassionate 3. Ar-Rahim (الرحيم) The All-Merciful 4. Al-Malik (الملك) The Absolute Ruler 5. Al-Quddus (القدوس) The Pure One 6. As-Salam (السلام) The Source of Peace 7. Al-Mu’min (المؤمن) The Inspirer of Faith 8. Al-Muhaymin (المهيمن) The Guardian 9. Al-Aziz (العزيز) The Victorious 10. Al-Jabbar (الجبار) The Compeller 11. Al-Mutakabbir (المتكبر) The Greatest 12. Al-Khaliq (الخالق) The Creator 13. Al-Bari’ (البارئ) The Maker of Order 14. Al-Musawwir (المصور) The Shaper of Beauty 15. Al-Ghaffar (الغفار) The Forgiving 16 Al-Qahhar (القهار) The Subduer 17. Al-Wahhab (الوهاب) The Giver of All 18. Ar-Razzaq (الرزاق) The Sustainer/Provideru 19 Al-Fattah (الفتاح) The Opener 20 Al-`Alim (العليم) The Knower of All 21 Al-Qabid (القابض) The Constrictor 22. Al-Basit (الباسط) The Reliever/Expander 23 Al-Khafid (الخافض) The Abaser 24 Ar-Rafi (الرافع) The Exalter 25 Al-Mu’izz (المعز) The Bestower o...

শিয়া সুন্নি পার্থক্যের কারন

শিয়া-সুন্নি বিভাজনের নেপথ্যে মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর ইন্তেকালের এক শ বছরের কম সময়ের মধ্যে ইসলামের ইতিহাসের দুটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ঘটে। একটি হলো দ্রুতগতিতে আরবের সীমানা ছাড়িয়ে প্রাচ্যে পারস্য হয়ে ভারত এবং পাশ্চাত্যে আফ্রিকা হয়ে স্পেনে ইসলামের প্রসার। অন্যটি হলো মহানবীর উত্তরসূরি হিসেবে ইসলামি শাসনব্যবস্থার নেতৃত্ব প্রদান নিয়ে শিয়া ও সুন্নি—এই দুটি ধারায় মুসলমানদের বিভক্ত হয়ে পড়া। ব্রিটিশ-আমেরিকান লেখিকা লেইসলি হ্যাজেলটন তাঁর ‘আফটার দ্য প্রফেট: দ্য এপিক স্টোরি অব দ্য শিয়া-সুন্নি স্প্লিট’ বইয়ে সুন্দরভাবে এই বিভক্তির ইতিহাস তুলে ধরেছেন। শিয়াতু আলী বা আলীর দল বা আলীর অনুসারীরা সাধারণভাবে শিয়া নামে পরিচিতি। মুসলিম উম্মাহর এই প্রধান দলটির উদ্ভব ঘটেছিল প্রথমত রাজনৈতিক কারণে। এর সঙ্গে ধর্মীয় তথা আধ্যাত্মিক বিষয় যুক্ত হয়ে মতভেদ প্রবলতর হয়। শিয়াপন্থীরা বিশ্বাস করেন যে হজরত আলী (রা.) মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর প্রকৃত উত্তরসূরি এবং এই ধারাবাহিকতায় হজরত আলীর দুই ছেলে হাসান ও হোসেন ইসলামের রাষ্ট্রীয় নেতৃত্বের দাবিদার। কিন্তু অন্যরা ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে তাঁদেরকে এই রাষ্ট্রীয় নেতৃত...

প্রশ্নঃ- কোটা আন্দোলনে যারা মারা গিয়েছেন কিংবা মারা যাচ্ছেন তারা কি শহীদ বলে গণ্য হবেন.??

⭕ প্রশ্নঃ- কোটা আন্দোলনে যারা মারা গিয়েছেন কিংবা মারা যাচ্ছেন তারা কি শহীদ বলে গণ্য হবেন.?? উত্তরঃ- ইসলামী আইন অনুসারে ন্যায্য অধিকার আদায়ের লড়াইয়ে কেউ যদি জা-লি-মের হাতে নিহত হয় তাহলে সেই ব্যক্তি শহীদ বলে গন্য হবে। ‎ عَنْ سَوَادَةَ بْنِ أَبِي الْجَعْدِ، عَنْ أَبِي جَعْفَرٍ قَالَ: كُنْتُ جَالِسًا عِنْدَ سُوَيْدِ بْنِ مُقَرِّنٍ فَقَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «مَنْ قُتِلَ دُونَ مَظْلَمَتِهِ فَهُوَ شَهِيدٌ» আবূ জা’ফর (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূল সল্লল্ল-হু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি জু-লু-মের প্রতিরোধ করতে গিয়ে মারা যাবে, সে শহীদ। [সুনানে নাসায়ী- ৪০৯৬] বর্তমানে দেশের সাধারন শিক্ষার্থীরা তাদের নায্য দাবী আদায়ের লক্ষ্যে জা-লি-মদের হাতে নিহত হচ্ছে। আর এই আন্দোলনে নিহত সকল ঈমানদার শিক্ষার্থীরাই ইসলামী আইন অনুসারে শহীদের মর্যাদা লাভ করবে ইন শা আল্লাহ। মহান আল্লাহ তা'য়ালা তাদের ত্যাগ ও তাজা র'ক্তের বিনিময়ে এই জাতির ভাগ্যে মুক্তির পয়গাম লিখে দিন। والله أعلم بالصواب. লেখকঃ মুহাম্মাদ মনির বিন করিম. নজরে সানীঃ শায়খ Affan Bin Sharfuddin হাফি.