Skip to main content

Posts

Showing posts with the label Real story

কে সুখী

তুরস্কের যুধিষ্ঠিরকে যক্ষ জিজ্ঞাসা করেছিল, ”সুখী কে? উত্তরে যুধিষ্ঠির বলেছিলেন,  “যাহার ঋণ নাই, আর নিজের ঘরে থাকিয়া দিনের শেষে যে চারিটি শাক-ভাত খাইতে পায়, সেই সুখী। 👍 একদিন তুর্কীর বিখ্যাত কবি ওনার বন্ধু বিখ্যাত চিত্রকর আবেদিন দিনোকে অনুরোধ করেছিলেন একটা সুখের ছবি আঁকার জন্য।  আবেদিন দিনো তার বন্ধুর অনুরোধে এই ছবিটি এঁকে দেন। ভালো করে ছবিটি দেখুন, খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখুন.. এক লহমায় মুছে যাবে সকল ভয়, ভীতি, হতাশা। ( ছবিও ও লেখা সংগ্রহীত )

একজন অকুতোভয় মুক্তিযোদ্ধার কাহিনি

উনি মুক্তিযুদ্ধে যোগ দেয়ার অপরাধে রাজাকাররা তাঁর স্ত্রীকে ধর্ষণ করার হুমকি দিয়েছিলো। এটা শুনে যুদ্ধের ময়দান থেকে বাড়ী এসেছিলো স্ত্রী সন্তানের খবর নিতে। এসে দেখলো তাঁর  স্ত্রী সতীত্ব বাচাতে গলায় দড়ি দিয়ে আত্বহত্যা করেছে। বাচ্চারা একজনও বেচে নেই। পাহাড় সমান শোককে শক্তি করে বাড়ি ছেড়েছিলেন আর দেশ স্বাধীন করেই তবে বাড়ী ফিরেছিলেন।  মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে তিনি পাঁচ হাজার মুক্তিযোদ্ধার এক দুধর্ষ গেরিলা বাহিনী গড়েছিলেন যারা বরিশাল, ঝালকাঠি, গোপালগঞ্জ, ফরিদপুর, মাদারীপুর, শরিয়তপুর আর বাগেরহাট এলাকায় দুর্দান্ত প্রতাপের সাথে যুদ্ধ করে পাকিস্তানী হানাদার আর তাদের এদেশীয় দোসর রাজাকারদের পরাভুত করেছে। একদিন সম্মুখ যুদ্ধে একটা বুলেট লোকটার গালের একপাশ দিয়া ঢুকে আরেক পাশ দিয়ে বেড়িয়ে যায়। আটটা দাঁত পড়ে গেল। ফিনকি দিয়ে রক্ত বের হচ্ছিলো তবুও লোকটা যুদ্ধ থামায় নি, অজ্ঞান হওয়ার  আগ পর্যন্ত যুদ্ধ চালিয়ে গেছে এবং শেষ পর্যন্ত পাকিস্তানি হানাদাররা পরাজিত হয়ে পালিয়েছিলো। লোকটির নাম হেমায়েত উদ্দিন।  হেমায়েত বাহিনীর প্রধান বীর বিক্রম হেমায়েত উদ্দিন। শুধু বাংলাদেশের না, সমগ্র মডার্ন মিলিটা...

জীবনে কিছু করতে চাইলে বাসের ড্রাইভারের মত হও

জীবনে কিছু করতে চাইলে নাইটকোচ এর ড্রাইভারের মতো হও........ হানিফ এন্টারপ্রাইজের একটি বাস জয়পুরহাট-হিলির উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করল। বাসটির ৪০ টি সিট যাত্রীতে পূর্ণ। বাসের সুপারভাইজার,  ড্রাইভার এবং হেলপার বেশ খুশি মনে ‘বিসমিল্লাহ...’ পড়ে গন্তব্যের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করলেন। ড্রাইভারের পিছনের সিটে দু’জন মাঝবয়সী লোক বসেছেন। তাদের একজন আজকের ‘ প্রতিদিনের বাংলাদেশ’ পত্রিকা পড়তে শুরু করলেন। পত্রিকার পাতাগুলো উদ্দেশ্যহীনভাবে উল্টানোর এক পর্যায়ে তার চোখ দু’টো বিনোদন পাতায় আটকে গেল। হালের উঠতি এক নায়িকা স্বল্প বসন পরিহিত ছবিতে তার নয়ন দু’টি থমকে গেছে। তার নয়নের এরূপ কড়া দৃষ্টি দেখে তার পাশের জনও পত্রিকার পাতার দিকে তাকালেন। তিনিও মোহগ্রস্থ হলেন। তিনি একবার সামনের দিকে তাকান আর একবার আড়চোঁখে পত্রিকায় দৃশ্যমান স্বল্প বসনের সেই নায়িকার দিকে তাকান। এভাবেই এক সময় বাসটি নবীনগর,চন্দ্রা অতিক্রম করে এখন হাইওয়েতে উঠেছে। মাঝের দিকে বসেছেন দুই তরুন-তরুনী। তারা সম্ভবত নববিবাহিত দম্পতি। যাত্রী ভর্তি এই বাসেও তাদের ভালোবাসাময় দুষ্টামী থেমে থাকে না। এরই ফাঁকে মেয়েটি লজ্জা,শঙ্কা আর খানিকটা ভয়ার্ত দৃষ্টি ন...

গল্প হলেও অনেক স্বামী স্ত্রীর বাস্তবতার শিকার

  গল্প হলেও অনেক স্বামী স্ত্রীর বাস্তবতার শিকার। স্ত্রী যখন আট মাসের গর্ভবতী তখন আমার শাশুড়ি এসে স্ত্রীকে নিয়ে গেলো বাপে র বাড়ি। ভাগ্যের কী নির্মম পরিহাস, মেয়েকে নিয়ে যাওয়ার দুদিন পর শাশুড়ি স্ট্রোক করলো। এতে তার শরীরের বাঁ দিক অবশ হয়ে গেলো। যে মেয়েকে নিয়ে গিয়েছিলো দেখাশোনা করার জন্য, সেই মেয়ে এখন উল্টো মাকে দেখাশোনা করতে লাগলো। অসুস্থ শাশুড়িকে দেখতে গিয়ে স্ত্রীকে বললাম,"সন্তান জন্মের পরই বাড়িতে চলে এসো।" স্ত্রী বললো,"বাবা সারাদিন চাকরিতে ব্যস্ত থাকেন। ছোটো ভাইও ভার্সিটি, টিউশনি নিয়ে দিনভর বাইরে থাকে। গোটা দিন মাকে দেখার কেউ নেই। এই অবস্থায় অসুস্থ মাকে রেখে কী করে যাই?" "কী বলতে চাও তুমি?" "মা নিজে নিজে উঠতে বসতে পারলে, এবং কিছুটা হাঁটতে পারলে আমি চলে যাবো। সেই পর্যন্ত আমাকে থাকতে দাও।" বিরক্ত হয়ে বললাম,"তোমার মায়ের ঐ অবস্থায় আসতে ছয় মাস লাগবে। ততোদিন থাকবে এখানে?" "ছয় মাস লাগবে না। ডাক্তার বলেছেন দু মাসের মধ্যে মা সুস্থ হয়ে যাবে।" অসন্তুষ্ট হয়ে শ্বশুরবাড়ি থেকে চলে এলাম। যথা সময়ে আমার একটা ছেলে সন্তান হলো। স্ত্রী ঐ সদ্যজাত ...

এ পি যে আবুল কালাম

পৃথিবীতে এমন মানুষ এই একজনই এসেছিলেন ।          কিন্তু জানেন , এই মানুষটিনা খুব বোকা ছিলেন ।          আরে বাবা যে দেশের রাষ্ট্রপতি তার কাছে মানে রাষ্ট্রপতি ভবনে স্বপরিবারে বেড়াতে আসলেন তারই নিজের ভাই ১১ জন সদস্য ৩ দিন ছিলেন তারা ।           বেশ তাতে কিহয়েছে !!            হয়েছে মানে !! জানেন কি হয়েছে !!          তাদের থাকা ও খাওয়াতে যা খরচ হয়েছে সেই খরচের হিসাব চাইলেন রাষ্ট্রপতি ভবনের অধিকারীকের কাছে এবং সেই খরচ নিজের নামে ব্যাঙ্কে জমে থাকা রাষ্ট্রপতি ভাতা থেকে ৩ ২২ ০০০ টাকার চেক কেটে দিলেন যেটা সরকারি কোষাগারে জমা পড়ল ।           বলেন কি মশাই !! এ যে সত্যিই আশ্চর্য !!           নামেই মুসলমান কিন্তু কোনোদিন মসজিদে যাননি নামাজ পড়েননি বরঞ্চ গীতা পড়তেন , তানপুরা বাজিয়ে গান করতেন , সাধু সন্যাসীদের পায়ে হাত দিয়ে প্রনাম করতেন , মঠে আশ্রমে যেতেন , দুস্থ শিক্ষার্থীদের শিক্ষা ক্ষেত্রে অকাতরে সাহায্য করতেন । ...

রবি ঠাকুরের দুখের ফিরিস্তি

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর- জীবনে যত দুঃখ বহন করেছেন তা পৃথিবীর আর কোন সাহিত্যিকের জীবনে ঘটেছে বলে জানা নেই।  ১. তের বছর বয়সে মাতৃহারা হন। ২. তাঁর বিয়ের রাতে ভগ্নিপতি মারা যান।  ৩. চারমাস পরে আত্মহত্যা করেন যার প্রেরণা ও ভালোবাসায় তিনি কবি হয়ে উঠেছেন, সেই নতুন বৌঠান কাদম্বরী দেবী।  ৪. ১৯০২ কবিপত্নী মৃণালিনী দেবী ২৯ বছর বয়সে মারা গেলেন l রবীন্দ্রনাথ তখন একচল্লিশ।  ৫. দুই মেয়ের বিয়ের সময় শর্ত অনুযায়ী জামাইদের বিলেতে ব্যারিস্টারি ও ডাক্তারি পড়াতে বিলেত পাঠালেন। কিন্তু কিছুদিনের মধ্যেই রেনুকা অসুস্থ হয়ে পড়লেন। তাঁকে বাঁচানো গেল না ।  ৫. ১৯০৫-এ চলে গেলেন পিতা মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর।  ৭.  ১৯০৭ কনিষ্ঠ পুত্রের (১২ বছরের) কলেরায় মৃত্যু।  ৮. ১৯১৩ রবীন্দ্রনাথ নোবেল পেলেন l  ৯.  ১৯১৮ বড় মেয়ে বেলা অসুস্থ, বেলাকে প্রতিদিন গাড়িতে করে দেখতে যেতেন কবি। বাবার হাত ধরে মেয়ে বসে থাকত বিছানায়। আর তখন রবীন্দ্রনাথের জামাই শরৎ টেবিলের ওপর পা তুলে সিগারেট খেতে খেতে রবীন্দ্রনাথকে ব্যাঙ্গ-বিদ্রুপ করতেন। একদিন বেলাকে দেখতে গিয়ে মাঝপথে শুনলেন সে মারা গেছে। মেয়েকে শেষ দেখা...

যোগ্যতা নাকি সৌন্দর্য?

প্রাচীন মিশরে পাতলা কোমরের মেয়ের খুব কদর ছিল। যে মেয়ে যত স্লিম, তাকে তত আকর্ষণীয় ধরা হত। কিন্তু এসব পাতলা কোমরের মেয়েরা যখন বিয়ে করতো, তখন তারা বেছে বেছে মোটা ভুঁড়িওয়ালাদেরই বিয়ে করতো। কারণ সেসময়ে ভাবা হত, ধনীরা গরীবদের চেয়ে ভাল মন্দ খায় । তাই মোটা লোকরা আর্থিকভাবে সচ্ছল ও ধনবান হয়। তখন দেখা যেত, অনেক পুরুষই কৃত্রিমভাবে মোটা হওয়ার চেষ্টা করত। আবার মাথায় টাকওয়ালা পুরুষদের ভাবা হত মহাজ্ঞানী । তাদেরও বেশ কদর ছিল। মধ্যযুগে এসে মোটা মেয়েদের কদর খুব বেড়ে যায়। কারণ তাদের ধনী-অভিজাত পরিবারের ভাবা হত। কারণ, একগাদা দাসী থাকার কারণে তাদের কোন কাজই করতে হতো না। ফলে কাজ না করার জন্য মোটা হয়ে যেত,  সেটাই ছিল আভিজাত্যের প্রতীক। আসলে সৌন্দর্যের সংজ্ঞা যুগ ভেদে একেক রকম। আজ সারা বিশ্বে প্রচার করা হচ্ছে মেয়েদের জন্য ফর্সা মানেই সুন্দর, জিরো ফিগার মানেই আকর্ষণীয়। এই জন্য দু'বেলা হাফ প্লেট ভাত খেয়ে দুর্বল শরীর নিয়ে হলেও ফিগার জিরো মেইনটেইন করায় ব্যস্ত সবাই। অথচ আগের যুগে জিরো ফিগারের মেয়ে দেখলে লোকে নির্ঘাত ভাবতো, মেয়েটা নিশ্চয় কাঙ্গাল পরিবারের। না খেতে পেয়ে এমন শুকিয়ে গেছে। এগুলো আসলে কিছুই না। সবই ক...

একজন সৎ প্রধান্মন্ত্রীর গল্প "লাল বাহাদুর শাস্ত্রী"

এমন একজন প্রধানমন্ত্রী ছিলেন যিনি ১৯৬৫ সালে নিজের একটি ৪ চাকার গাড়ি ক্রয় করতে পাঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাঙ্ক থেকে মাত্র ৫ হাজার টাকা ঋণ নিয়ে ছিলেন। কিন্তু দুর্ভাগ্য, জীবদ্দশায় সেই ঋণের একটি কিস্তিও উনি জমা করতে পারেননি । ১৯৬৬ সালে তার মৃত্যু হয়। মৃত্যুর পর ব্যাঙ্ক কতৃপক্ষ উনার বাড়িতে নোটিশ পাঠান। নোটিশ পেয়ে উনার স্ত্রী নিজের পেনশনের টাকা থেকে ওই ঋণের সকল কিস্তি জমা করেন। যার কথা বলছি উনি আর কেউ নন, উনি লাল বাহাদুর শাস্ত্রী। উনার সহধর্মিণী ললিতা শাস্ত্রীও ঠিক উনারই মতো সৎ স্বভাবী ছিলেন এবং সারা জীবন একজন প্রকৃত জীবনসঙ্গীর মতোই পাশে ছিলেন। শাস্ত্রীর ওই ৪ চাকার গাড়িটি আজও রয়েছে জনপথের আবাসে (বর্তমানে সংগ্রহশালা)! এবার এখানে একটু থামুন, আর ভাবুন কিছু এমন লোকের কথা যারা ব্যাঙ্ক এর ঋণের কোটি কোটি টাকা নিয়ে লাপাত্তা।  এমন আর একটি ঘটনার কথা আজ বলা খুব দরকার। ১৯৬২ সালের কথা, সেসময় শাস্ত্রীজি অখিল ভারতীয় কংগ্রেস কমিটির মহাসচিব। তখন প্রধানমন্ত্রী জওহর লাল নেহেরু। উনার কোনো এক কাজের দরুন কাশ্মীর যাওয়ার দরকার ছিল। নেহরু উনাকে কাশ্মীর যেতে লাগাতার অনুরোধ করলেও তিনি বার বার যেতে অস্বীকার কর...

কিংবদন্তি সার্জন ডাঃ হ্যামিল্টন মাস্টার অফ মেডিসিন

এক নিরক্ষর ডাক্তার। তিনি লেখা পড়া জানতেন না। দক্ষিণ আফ্রিকার কেপ টাউনের বাসিন্দা ,, বিখ্যাত সার্জন ডাঃ হ্যামিল্টন। যাকে "মাষ্টার অফ মেডিসিন" সম্মানে সম্মানিত করা হয়।।  এটা কিভাবে সম্ভব ??  চলুন,, একটু জেনে নেওয়া যাক। "কেপটাউন মেডিক্যাল ইউনিভার্সিটি" চিকিৎসা জগত এবং ডাক্তারি পড়াশোনা করার জন্য বিশ্ব বিখ্যাত এক প্রতিষ্ঠান। এই বিশ্ববিদ্যালয় এমন একজন ব্যাক্তিকে মাষ্টার অফ মেডিসিন সম্মান জানিয়েছে,,যিনি জীবনে কখনো স্কুলে যাননি। পৃথিবীর প্রথম "বাইপাস সার্জারি" হয়েছিল, কেপটাউনের এই ইউনিভার্সিটিতে। 2003 সালে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান প্রফেসর "ডাঃ ডেভিড ডেট" এক আড়ম্বর- পূর্ণ অনুষ্ঠানে ঘোষণা করেন,, " আজ আমরা এমন একজন ব্যাক্তিকে সম্মান জানাতে চলেছি,, যার ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় হাজারো পড়ুয়া সার্জারি শিখেছেন। যিনি  কেবলমাত্র একজন শিক্ষক নন,, বরং একজন উচ্চ মানের সার্জন এবং ভালো হৃদয়ের মানুষ। ইনি চিকিৎসা বিজ্ঞানে যে অবদান রেখে গেছেন,, সেটা পৃথিবীর খুব কম মানুষই রাখতে পেরেছেন।"  এরপর প্রফেসর "ডেভিড" সাহেব "সার্জন হ্যামিল্টন" এর নাম নিতেই...

সত্য চিরকাল সত্য

জেরুজালেমে ঘোড়ার আস্তাবলে যীশুর জন্মাতে তখনও তিনশো চুরাশি বছর দেরি ; জন্ম নিলেন এ্যারিস্টটল!  শুধু গ্রীস নয় সারা বিশ্ব নড়ে চড়ে উঠল মানুষটার কথাবার্তায়! গ্রীক বীর আলেকজাণ্ডারকে টিউশন পড়িয়ে ফেরার পথে গার্জেনদের জটলায় দাঁড়িয়ে   বললেন, "শিক্ষার শেকড়ের স্বাদ তেতো হলেও ফল মিষ্টি" ; এতগুলো বছর পরে মানুষটা নেই, রয়ে গেছে কথাগুলো আগুনের মতো সত্যি হয়ে!  তারও আগে এথেন্স এ্যাকাডেমির বারান্দায় দাঁড়িয়ে সোচ্চার কন্ঠে বলে গেলেন প্লেটো,  "রাজনীতিতে অংশগ্রহণে অনীহার অন্যতম শাস্তি হলো নিজের চেয়ে নিকৃষ্টদের দ্বারা শাসিত হওয়া!"  মিথ্যে নয় কথাগুলো!  দু'হাজার ছ'শো বছর আগেই বোধহয় মানুষটা জানতেন...এম.এল.এ.,এম.পি. হয়ে বিধানসভা কিংবা পার্লামেন্টে পৌঁছোতে গেলে এম.এ., এম.এস.সি.,পি.এইচ.ডি. অথবা মিনিমাম কোনো কোয়ালিফিকেশনের প্রয়োজন নেই বরং এম.এ, এম.এস.সি,পি.এইচ.ডি'রাই নন ম্যাট্রিক এম.এল.এ, এমপি'দের পিছনে হাত কচলাতে কচলাতে স্যার স্যার করে ঘুরবে !  তার চেয়েও বহু আগে পৃথিবীতে যীশু আসার  চারশো সাতাশ বছর আগে হেমলক ভর্তি কাপে  চুমুক দিতে দিতে প্লেটোর মাস্টারমশায় সক্রেটিস বলে...

নির্মম নিষ্ঠুর কলম্বাসের কাহিনী

ইতিহাস বড়ই নির্মম। সে কাউকেই ক্ষমা করেনি, করবেও না। আজ হোক বা শত শত বছর, ইতিহাস তার ফেলে আসা সময়ের বিচার করবেই। পাঁচ শতক পেরিয়ে গেলেও আমেরিকার আবিস্কারক হিসেবে পরিচিত কলম্বাসকে কিন্তু ইতিহাস ছাড়েনি। আমেরিকা জয়ের পরে তাঁর সেই নির্মমতার প্রতীকী বিচার শুরু হয়েছে। ১৪৯২ সালের ১২ অক্টোবর। ক্রিস্টোফার কলম্বাসের নেতৃত্বে একদল অস্ত্রধারী তিনটি জাহাজে চড়ে আমেরিকার বাহামাস দ্বীপে পৌঁছান। সরলমনা স্থানীয় আদিবাসীরা তাদেরকে অতিথি হিসেবে স্বাগত জানান। কলম্বাসের একটি ক্ষতিগ্রস্ত জাহাজ মেরামতও করে দেন তারা। অভ্যর্থনা জানাতে আসা আদিবাসীদের দেহে স্বর্ণের অলঙ্কার দেখে কলম্বাস অনুমান করেন আশেপাশের কোথাও স্বর্ণের খনি রয়েছে। আদিবাসীদের সরলতা কলম্বাসকে মুগ্ধ করে এ জন্য যে, তিনি খুবই কম পরিশ্রমে ওই ভূখণ্ডের সব কিছু নিজের দখলে নিতে পারবেন। তিনি আমেরিকার মূল মালিক আদিবাসীদের নিশ্চিহ্ন করার পরিকল্পনা পাকাপোক্ত করেন এবং স্পেনে গিয়ে আরও এক হাজার দুইশ’ ইউরোপীয়কে সঙ্গে নিয়ে আসেন। শুরু হয় নির্মমতা, চলে গণহত্যা। কলম্বাস বাহিনী হিস্পানিওলা দ্বীপের একটি প্রদেশে ১৪ বছরের উপরের সব আদিবাসীকে তিন মাস পরপর একটা নির্দিষ্ট পরিম...