Skip to main content

Posts

Featured Post

Experience and information collection of DSE & CSE OF BANGLADESH by TR

Recent posts

হাজারো ব্যাথা বেদোনার পরেও গজল

হাজারও ব্যাথা বেদনার পরে ফিরে আসনি তুমি আপন ঘরে দ্বীনের আলো তুমি ছড়িয়ে দিতে চলে গেলে মদীনায় মক্কা ছেড়ে হে রাসূল.... তোমাকে ভুলি আমি কেমন করে (২) খেয়ে না খেয়ে দ্বীন প্রচারের কাজে নিজেকে দিয়েছো বিলিয়ে তায়েফের কাফেরেরা চিনলো না এ আলো দুষ্টু ছেলেদের পিছু দিল লেলিয়ে (২) পাথরের আঘাতে ক্ষতবিক্ষত হয়ে সারা শরীর থেকে রক্ত ঝরে হে রাসূল.... তোমাকে ভুলি আমি কেমন করে (২) হেরার গুহায় তোমারই ধ্যান আসমান থেকে নামে আল-কোরআন (২) ভাঙ্গল সবার ভুল তোমারই পরে আসলো কোরআনের ছায়াতলে খালিদ উমর আলী আবু বকর ইসলামী ঝান্ডা নিল যে তুলে (২) আল-আমিন তুমি ছিলে যে সদা সকল মানুষের তরে হে রাসূল.... তোমাকে ভুলি আমি কেমন করে (২) হাজারও ব্যাথা বেদনার পরে ফিরে আসনি তুমি আপন ঘরে দ্বীনের আলো তুমি ছড়িয়ে দিতে চলে গেলে মদীনায় মক্কা ছেড়ে হে রাসূল.... তোমাকে ভুলি আমি কেমন করে (৩)

গুরুত্বপূর্ণ ১০০টি MCQ নিচে দেওয়া হলো। এই প্রশ্নগুলো শিক্ষক নিয়োগ (NTRCA), বিভাগীয় পরীক্ষা এবং প্রশাসনিক প্রস্তুতি

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (DSHE) কর্তৃক প্রকাশিত এমপিও নীতিমালা ও জনবল কাঠামো ২০২৫-এর আলোকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ১০০টি MCQ নিচে দেওয়া হলো। এই প্রশ্নগুলো শিক্ষক নিয়োগ (NTRCA), বিভাগীয় পরীক্ষা এবং প্রশাসনিক প্রস্তুতির জন্য বিশেষভাবে কার্যকর। অংশ ১: এমপিও নীতিমালা ২০২৫ (১-৪০) ১. এমপিও (MPO) নীতিমালা ২০২৫ অনুযায়ী সহকারী শিক্ষক পদের এন্ট্রি লেভেলের বেতন গ্রেড কত? A) ১০ম গ্রেড B) ১১তম গ্রেড C) ১২তম গ্রেড D) ১৬তম গ্রেড উত্তর: B) ১১তম গ্রেড > ব্যাখ্যা: নীতিমালার জনবল কাঠামো অনুযায়ী, সরাসরি নিয়োগপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষক (বিএড বিহীন) ১১তম গ্রেডে যোগদান করেন। বিএড সম্পন্ন করলে তিনি ১০ম গ্রেডে উন্নীত হন। ২. বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে 'সিনিয়র শিক্ষক' পদটি পেতে কত বছর সন্তোষজনক চাকরি প্রয়োজন? A) ৫ বছর B) ৮ বছর C) ১০ বছর D) ১২ বছর উত্তর: C) ১০ বছর > ব্যাখ্যা: সহকারী শিক্ষক হিসেবে ১০ বছর সন্তোষজনক চাকরি পূর্ণ হলে তিনি উচ্চতর গ্রেডপ্রাপ্ত হয়ে 'সিনিয়র শিক্ষক' হিসেবে গণ্য হন। ৩. এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বাৎসরিক ইনক্রিমেন্ট মূল বেতনের কত শতাংশ? A) ৩% B) ৫% C) ১০% D) ৮% উত্তর: B) ৫% ...

বাচ্চাদের জন্য সহজ ইংরেজি

1️⃣ I am happy. (আই অ্যাম হ্যাপি) – আমি খুশি। 2️⃣ I am sad. (আই অ্যাম স্যাড) – আমি দুঃখিত। 3️⃣ I am fine. (আই অ্যাম ফাইন) – আমি ভালো আছি। 4️⃣ I am hungry. (আই অ্যাম হাংরি) – আমার ক্ষুধা লেগেছে। 5️⃣ I am thirsty. (আই অ্যাম থার্স্টি) – আমার পিপাসা লেগেছে। 6️⃣ I am tired. (আই অ্যাম টাইয়ার্ড) – আমি ক্লান্ত। 7️⃣ I am sleepy. (আই অ্যাম স্লিপি) – আমার ঘুম পাচ্ছে। 8️⃣ I am scared. (আই অ্যাম স্কেয়ার্ড) – আমি ভয় পাচ্ছি। 9️⃣ I am ready. (আই অ্যাম রেডি) – আমি প্রস্তুত। 🔟 I am sorry. (আই অ্যাম সরি) – আমি দুঃখিত। 1️⃣1️⃣ This is my book. (দিস ইজ মাই বুক) – এটা আমার বই। 1️⃣2️⃣ That is your pen. (দ্যাট ইজ ইয়োর পেন) – ওটা তোমার কলম। 1️⃣3️⃣ This is my bag. (দিস ইজ মাই ব্যাগ) – এটা আমার ব্যাগ। 1️⃣4️⃣ I like milk. (আই লাইক মিল্ক) – আমি দুধ পছন্দ করি। 1️⃣5️⃣ I like rice. (আই লাইক রাইস) – আমি ভাত পছন্দ করি। 1️⃣6️⃣ I like fruits. (আই লাইক ফ্রুটস) – আমি ফল পছন্দ করি। 1️⃣7️⃣ I like to play. (আই লাইক টু প্লে) – আমি খেলতে পছন্দ করি। 1️⃣8️⃣ I like my school. (আই লাইক মাই স্কুল) – আমি আমার স্কুল পছন্দ করি। 1️⃣9️⃣ ...

ভালই হইছে তুমি চইলা গেছো,

ভালোই হইছে তুমি চইলা গেছো— থাইকা গেলে ম্যালা ক্ষয়ক্ষতি হইতো। ঘন্টায় ঘন্টায় ফোন কইরা কি করো, কেমন আছো? সারাদিন এইসব খোজখবর নিয়া বাড়াবাড়ি রকম মায়া দেখাইতে হইতো। দুইবেলা ভাতের জায়গায় আমার একবেলা কম খাইলেও চলতো, কিন্তু তোমার লগে একবেলা কথা কম হইলে আমার চলতো না। মনের ভিতর খচখচ করতো, অস্থির অস্থির লাগতো।  ভালোই হইছে তুমি চইলা গেছো— তুমি থাইকা গেলে আমি কোনোদিনও একলা বাঁচা শিখতাম না। জ্বর হইলে প্যারাসিটেমলের বদলে খুঁজতে হইতো তোমার হাত। তুমি ছাড়া নিজেরে কাছে নিজেরে মনে হইতো ডানা ভাঙা আহত পাখি। খোলা আসমান পাইতাম ঠিকি কিন্তু উড়তে পারতাম না। তার চাইতে ভালোই হইছে তুমি চইলা গেছো— তুমি থাইকা গেলে পিরিত কইমা যাইতো। বছরের পর বছর এক পাতিলে, এক বাটিতে পাকখাইয়া যাইতে যাইতে মুখে অরুচি বাধঁতো, তিক্ততা চইলা আসত। তুমিও তো একবেলা ঝগড়া হইলে পরের বেলা ভাবতা ভুল মানুষের লগে থাইকা গেলাম না তো? মনে মনে ঘৃণার পাহাড় বানাইয়া ভিতরে ভিতরে ছটপট কইরা মরতা, কিন্তু কাউরে কইতে পারতা না। খারাপ লাগতো, পালাইতে চাইতা, কিন্তু পরতা না। সব চইলা যাওয়ার মাঝে যেমন প্রস্থান নাই,  তেমনই সব পাইয়া যাওয়ার মাঝেও অর্জন নাই। তুমি থাই...

কোথায় গেলে আপনারে পাওয়া যায়,

মানুষ কয় অর্ধেক রুটি খরচ করলে কুকুর প্রেমে পইড়া যায়,অর্ধেক সিগারেট খরচ করলে শত্রু বন্ধু হইয়্যা যায়, অথচ আমি আপনারে ভালোবাইসা আপনার লাইগ্যা আমার আস্ত একখান জীবন খরচ কইরা দিবার পরও আপনি মানুষখান আমার হইলেন না। দুনিয়ার কোন ভিক্ষুক অমন কইরা কারোও দরজায় ভিক্ষা চায় নাই, আমি যেমন কইরা আপনার দরজায় একচিমটি ভালোবাসা ভিক্ষা চাইছি। দুনিয়ার কোন মানুষ জীবন হারাইবার ভয়ে অমন হাউমাউ কইরা কাইন্দা উঠে নাই, আমি যেমন কইরা আপনারে হারানো ভয়ে কাইন্দা উঠছি। দুনিয়ার কোন ক্ষুধার্ত মানুষ খাওনের লাইগ্যা অত নতজানু হয় নাই। আমি যতখানি আপনার পাওনের লাইগয়া নতজানু হইছি। কোন নিঃসন্তান মা'ও সন্তান পাওনের লাইগাও অমন কইরা মাজার মসজিদে কপাল ঠেকায় নাই, আমি যেমন কইরা আপনারে পাওনের লাইগ্যা কপাল ঠেকাইছি। কোনো বেকার ছাওয়াল অমন কইরা চাকরি খুঁজে নাই আমি যেমন কইরা আপনারে পাওয়ার তরিকা খুঁজছি। দুনিয়ার বেবাক মানুষ বুঝল, আপনারে আমার লাগবোই লাগবো—শুধু আপনি মানুষখান বুঝলেন না।  আপনারে গাঙ্গের জলে পাইলো, পথের ধূলে পাইলো, গাছের ফুলে পাইলো, আসমানের বৃষ্টি পাইলো, সমুদ্ররের জলে পাইলো, কবিতার ছন্দে পাইলো, গানে সুরে পাইলো, কতো অজানা অচেনা মা...

O me o life

ছাত্রী কে এই কবিতা পড়াচ্ছিলাম। এইটা নবম দশম শ্রেণীর ইংলিশ ফর টুডে বইয়ের ইউনিট ১ এর লেসন ৩ এ আছে। যদিও নিজের ছাত্রবস্থায় এই বইখানা আমি কখনো খুলেও দেখি নি, তবে সেই উপদেশ যদি আমি ছাত্রছাত্রীদের দিতে যাই তাহলে দিন দুয়েকের মাঝেই আমারে গার্ডিয়ান লাল সালাম সহিত পত্রপাঠ বিদায় জানিয়ে দিবেন। যাই হোক, ক্রিঞ্জ সারক্যাজম বাদ দিয়ে আসল কথায় আসি।  এই কবিতার আসলে সামারি কি? এই কবিতাটি মানুষের অস্তিত্বের সংকট এবং জীবনের উদ্দেশ্য নিয়ে লেখা। কবিতার প্রথম অংশে কবি নিজের জীবন এবং চারপাশের জগত নিয়ে গভীর বিষাদ প্রকাশ করেছেন । বিশেষত ঢাকার মতো যান্ত্রিক কোনো শহরের কোনো এক কোনায় যন্ত্রের মতো ছুটে চলা মানুষের কথা বলেছেন তিনি। নিজেকেও তিনি সেই কাতারেই ফেলেছেন। আবার মানুষ হিসেবে নিজের দোষের কথাও বলেছেন যেমন বিশ্বাস হীনতা। মানুষের জীবন এমনই। জন্মায়, কামলা খাটে, ভাত খায়, মরে যায়! তাহলে জীবনের সার্থকতা কোথায়? উদ্দেশ্য কী জীবনের? তবে কবিতায় কিছু উত্তর ও দেয়া আছে। আপনি যে বেঁচে আছেন  আর আপনার যে নিজের পরিচয় আছে এটাই কি অনেক বড় কিছু না? হ্যাঁ নিজেকে মোটিভেট করতে গেলে মাঝে মাঝে এসব কথায় বিশ্বা...