Skip to main content

Posts

Featured Post

Experience and information collection of DSE & CSE OF BANGLADESH by TR

Recent posts

ভালই হইছে তুমি চইলা গেছো,

ভালোই হইছে তুমি চইলা গেছো— থাইকা গেলে ম্যালা ক্ষয়ক্ষতি হইতো। ঘন্টায় ঘন্টায় ফোন কইরা কি করো, কেমন আছো? সারাদিন এইসব খোজখবর নিয়া বাড়াবাড়ি রকম মায়া দেখাইতে হইতো। দুইবেলা ভাতের জায়গায় আমার একবেলা কম খাইলেও চলতো, কিন্তু তোমার লগে একবেলা কথা কম হইলে আমার চলতো না। মনের ভিতর খচখচ করতো, অস্থির অস্থির লাগতো।  ভালোই হইছে তুমি চইলা গেছো— তুমি থাইকা গেলে আমি কোনোদিনও একলা বাঁচা শিখতাম না। জ্বর হইলে প্যারাসিটেমলের বদলে খুঁজতে হইতো তোমার হাত। তুমি ছাড়া নিজেরে কাছে নিজেরে মনে হইতো ডানা ভাঙা আহত পাখি। খোলা আসমান পাইতাম ঠিকি কিন্তু উড়তে পারতাম না। তার চাইতে ভালোই হইছে তুমি চইলা গেছো— তুমি থাইকা গেলে পিরিত কইমা যাইতো। বছরের পর বছর এক পাতিলে, এক বাটিতে পাকখাইয়া যাইতে যাইতে মুখে অরুচি বাধঁতো, তিক্ততা চইলা আসত। তুমিও তো একবেলা ঝগড়া হইলে পরের বেলা ভাবতা ভুল মানুষের লগে থাইকা গেলাম না তো? মনে মনে ঘৃণার পাহাড় বানাইয়া ভিতরে ভিতরে ছটপট কইরা মরতা, কিন্তু কাউরে কইতে পারতা না। খারাপ লাগতো, পালাইতে চাইতা, কিন্তু পরতা না। সব চইলা যাওয়ার মাঝে যেমন প্রস্থান নাই,  তেমনই সব পাইয়া যাওয়ার মাঝেও অর্জন নাই। তুমি থাই...

কোথায় গেলে আপনারে পাওয়া যায়,

মানুষ কয় অর্ধেক রুটি খরচ করলে কুকুর প্রেমে পইড়া যায়,অর্ধেক সিগারেট খরচ করলে শত্রু বন্ধু হইয়্যা যায়, অথচ আমি আপনারে ভালোবাইসা আপনার লাইগ্যা আমার আস্ত একখান জীবন খরচ কইরা দিবার পরও আপনি মানুষখান আমার হইলেন না। দুনিয়ার কোন ভিক্ষুক অমন কইরা কারোও দরজায় ভিক্ষা চায় নাই, আমি যেমন কইরা আপনার দরজায় একচিমটি ভালোবাসা ভিক্ষা চাইছি। দুনিয়ার কোন মানুষ জীবন হারাইবার ভয়ে অমন হাউমাউ কইরা কাইন্দা উঠে নাই, আমি যেমন কইরা আপনারে হারানো ভয়ে কাইন্দা উঠছি। দুনিয়ার কোন ক্ষুধার্ত মানুষ খাওনের লাইগ্যা অত নতজানু হয় নাই। আমি যতখানি আপনার পাওনের লাইগয়া নতজানু হইছি। কোন নিঃসন্তান মা'ও সন্তান পাওনের লাইগাও অমন কইরা মাজার মসজিদে কপাল ঠেকায় নাই, আমি যেমন কইরা আপনারে পাওনের লাইগ্যা কপাল ঠেকাইছি। কোনো বেকার ছাওয়াল অমন কইরা চাকরি খুঁজে নাই আমি যেমন কইরা আপনারে পাওয়ার তরিকা খুঁজছি। দুনিয়ার বেবাক মানুষ বুঝল, আপনারে আমার লাগবোই লাগবো—শুধু আপনি মানুষখান বুঝলেন না।  আপনারে গাঙ্গের জলে পাইলো, পথের ধূলে পাইলো, গাছের ফুলে পাইলো, আসমানের বৃষ্টি পাইলো, সমুদ্ররের জলে পাইলো, কবিতার ছন্দে পাইলো, গানে সুরে পাইলো, কতো অজানা অচেনা মা...

O me o life

ছাত্রী কে এই কবিতা পড়াচ্ছিলাম। এইটা নবম দশম শ্রেণীর ইংলিশ ফর টুডে বইয়ের ইউনিট ১ এর লেসন ৩ এ আছে। যদিও নিজের ছাত্রবস্থায় এই বইখানা আমি কখনো খুলেও দেখি নি, তবে সেই উপদেশ যদি আমি ছাত্রছাত্রীদের দিতে যাই তাহলে দিন দুয়েকের মাঝেই আমারে গার্ডিয়ান লাল সালাম সহিত পত্রপাঠ বিদায় জানিয়ে দিবেন। যাই হোক, ক্রিঞ্জ সারক্যাজম বাদ দিয়ে আসল কথায় আসি।  এই কবিতার আসলে সামারি কি? এই কবিতাটি মানুষের অস্তিত্বের সংকট এবং জীবনের উদ্দেশ্য নিয়ে লেখা। কবিতার প্রথম অংশে কবি নিজের জীবন এবং চারপাশের জগত নিয়ে গভীর বিষাদ প্রকাশ করেছেন । বিশেষত ঢাকার মতো যান্ত্রিক কোনো শহরের কোনো এক কোনায় যন্ত্রের মতো ছুটে চলা মানুষের কথা বলেছেন তিনি। নিজেকেও তিনি সেই কাতারেই ফেলেছেন। আবার মানুষ হিসেবে নিজের দোষের কথাও বলেছেন যেমন বিশ্বাস হীনতা। মানুষের জীবন এমনই। জন্মায়, কামলা খাটে, ভাত খায়, মরে যায়! তাহলে জীবনের সার্থকতা কোথায়? উদ্দেশ্য কী জীবনের? তবে কবিতায় কিছু উত্তর ও দেয়া আছে। আপনি যে বেঁচে আছেন  আর আপনার যে নিজের পরিচয় আছে এটাই কি অনেক বড় কিছু না? হ্যাঁ নিজেকে মোটিভেট করতে গেলে মাঝে মাঝে এসব কথায় বিশ্বা...

পঁয়ত্রিশের ধাক্কা পঞ্চাশে।বাদল সৈয়দ।

পঁয়ত্রিশের ধাক্কা পঞ্চাশে। বাদল সৈয়দ। 'Fifty is not just age— it is an audit.' 'পঞ্চাশ শুধু বয়স নয়- আগে কী করেছেন তার হিসাবনিকাশও।' আপনার কি পঁয়ত্রিশ চলছে? তাহলে আপনাকে কিছু অভ্যাস রপ্ত করতে হবে—কিছু পাল্টাতে হবে। নইলে পঞ্চাশে গিয়ে বিশাল ধাক্কা খাবেন। পঞ্চাশ হচ্ছে ভাঙচুরের বয়স। আস্তে আস্তে বয়স ঝেঁকে বসে, শরীর দুর্বল হয়, ব্যাধি ঘর বাঁধে। আর্থিক দুশ্চিন্তা প্রবল হয়, ছেলেমেয়ের ভবিষ্যৎ নিয়ে কপালে ভাঁজ পড়ে। এজন্যই অনেকে পঞ্চাশ পেরুলে বলেন—‘অন দ্য রং সাইড অব ফিফটি।’ তাই পঁয়ত্রিশ বছর থেকেই পঞ্চাশের ঝামেলা মোকাবেলার পরিকল্পনা করতে হবে। অনেক কিছু করতে হবে—অনেক কিছু ছাড়তে হবে। চলুন, দেখি সেগুলো কী? ক) হেলথ ডিমান্ডস ইন্টারেস্ট। আপনি যদি এখন থেকে শরীরের যত্ন না নেন—নিশ্চিত ধরে নেবেন পঞ্চাশে স্বাস্থ্য সুদ আদায় করবে। এ সুদ হচ্ছে চিকিৎসা খরচ। এমনিতেই পঞ্চাশ খুব ভঙ্গুর সময়। সে সময় শরীরে ভাঙচুর না চাইলে এখন শরীরের যত্ন নিন। ১) হালকা ব্যায়াম করুন। ২) নিয়মিত আধা ঘণ্টা হাঁটুন। ৩) পরিমিত খান। ৪) অস্বাস্থ্যকর খাবার বাদ দিন। ৫) পর্যাপ্ত ঘুমান। খ) টেনশন অ্যান্ড ‘টেল অব টোল’। পঁয়ত্রিশ বছর মানসি...

চরিত্র গঠনে সহায়ক ১০ টি পয়েন্ট

এই আর্টিকেলে ১০টি ছোট ছোট আচরণের কথা বলা হয়েছে যা ধীরে ধীরে মানুষের মধ্যে আপনার সম্মান বাড়িয়ে তোলে এবং একটি শক্তিশালী চরিত্র গঠনে সহায়তা করে।  • ​১. কথা দিলে তা রাখা: আপনি যখন কাউকে কথা দেন যে আপনি সেখানে থাকবেন বা কোনো কাজ করবেন, তখন তা বজায় রাখুন। ছোটখাটো বিষয়েও নির্ভরযোগ্য হওয়া আপনার বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়ায়। ​২. উত্তর দেওয়ার জন্য নয়, বোঝার জন্য শোনা: অন্যের কথা শোনার সময় মনে মনে নিজের উত্তর তৈরি না করে মনোযোগ দিয়ে তার কথা শুনুন। এতে অপর ব্যক্তি নিজেকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করেন এবং আপনার প্রতি তার শ্রদ্ধা বাড়ে। ​৩. ‘জানি না’ বলতে দ্বিধা না করা: সব বিষয়ে জান্তা হওয়ার ভান করার চেয়ে "আমি জানি না, তবে জেনে নেব" বলা অনেক বেশি সম্মানের। এটি আপনার সততা এবং আত্মবিশ্বাস প্রকাশ করে। ​৪. অন্যের গোপন কথা রক্ষা করা: কারো ব্যক্তিগত কথা বা গোপনীয়তা অন্যের কাছে ফাঁস করবেন না। বিশ্বস্ততা এমন একটি সম্পদ যা কেনা যায় না, এটি অর্জন করতে হয়। ​৫. অজুহাত না দিয়ে দায়িত্ব নেওয়া: ভুল হলে তা স্বীকার করুন। অজুহাত না দিয়ে নিজের কাজের দায়ভার নিলে মানুষ আপনাকে একজন দায়িত্বশীল ব্যক্তি হিসেবে সম্মান করবে। ​৬. উদার...

একটি না শব্দ কতটা শক্তিশালী

একটি “না” কতটা শক্তিশালী হতে পারে, আমরা বেশিরভাগ মানুষ তা কল্পনাও করি না। কিন্তু ইতিহাস জানে—একটি কণ্ঠ, একটি সিদ্ধান্ত, একটি অস্বীকৃতি পুরো সমাজের নৈতিক মানচিত্র বদলে দিতে পারে। ১৯৬৫ সাল। ইতালির সিসিলি। মাত্র ১৭ বছরের এক কিশোরী—ফ্রাঙ্কা ভিয়োলা—দাঁড়িয়ে ছিল পরিবার, সমাজ আর আইনের বিপরীতে। তাকে বলা হয়েছিল, “ধ’র্ষণ হয়েছে তো কী হয়েছে? লোকটা বিয়ে করতে চায়। বিয়ে করলেই সম্মান ফিরে পাবে।” ফ্রাঙ্কা উত্তর দিয়েছিল মাত্র এক শব্দে— “না।” এই “না” ছিল সমাজের মুখে চপেটাঘাত। কারণ তখন ইতালির আইন বলত—ধ’র্ষক যদি ভিকটিমকে বিয়ে করে, সে শাস্তি পাবে না। আইনের ভাষায় একে বলা হতো “সম্মান পুনরুদ্ধার”। কিন্তু প্রশ্ন ছিল— ধ’র্ষককে মুক্ত করে কিসের সম্মান উদ্ধার হয়? ফ্রাঙ্কাকে অপহরণ করে আট দিন আট রাত নির্মম যৌ’ন নির্যাতন করা হয়েছিল, শুধু একটি দাবিতে— “আমাকে বিয়ে করো।” সে রাজি হয়নি। উদ্ধারের পরও পরিবার ও সমাজ চাপ দিয়েছিল— “বিয়ে করো, নইলে জীবন শেষ।” কিন্তু ফ্রাঙ্কা জীবন হারাতে রাজি ছিল, আত্মসম্মান নয়। ১৯৬৬ সালে সে আদালতে দাঁড়ায়। একজন কিশোরী প্রথমবারের মতো প্রকাশ্যে বলেছিল— “আমি ভিকটিম নই। আমি অপরাধীর স্ত্রী হব না।” সে মা...