Skip to main content

Posts

Showing posts with the label গল্প

অপেক্ষার নাম ভালোবাসা

# অপেক্ষার নাম ভালোবাসা --- ## এক বাড়ির উঠানে একটা কদম গাছ আছে। কমল প্রতিদিন সকালে উঠে দেখে গাছটার দিকে। বর্ষায় কদম ফোটে, আর কমলের বুকে একটা অদ্ভুত আনন্দ জাগে। এই আনন্দের কোনো কারণ নেই, কোনো ব্যাখ্যা নেই। কমল ব্যাখ্যায় বিশ্বাস করে না। সে বিশ্বাস করে স্বপ্নে। স্বপ্নটা সহজ। একটা স্কুল। সবুজ মাঠ। আর সে দাঁড়িয়ে আছে ক্লাসের সামনে। হাতে চক। বোর্ডে লেখা — *"আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি।"* এই স্বপ্নটা কমল দেখে ছোটবেলা থেকে। --- কমলদের বাড়ি নরসিংদীর এক ছোট্ট গ্রামে। বাবা রহিম মিয়া দিনমজুর। মা রাবেয়া বেগম সংসার সামলান। তিন ভাইবোনের মধ্যে কমল বড়। পরিবারে টাকার অভাব সবসময়। তবু কমল পড়েছে। হারিকেনের আলোয়, বৃষ্টির শব্দের মাঝে, পেটে ক্ষুধা নিয়ে — পড়েছে। এসএসসি পরীক্ষার মাত্র তিন মাস বাকি। সেদিন সন্ধ্যায় কমল অঙ্ক করছিল। বাইরে থেকে বাবার গলা শোনা গেল। সঙ্গে আরেকটা গলা — পরিচিত নয়। মা এসে ঘরে ঢুকলেন। মুখে একটা অদ্ভুত হাসি। *"কমল, একটু বাইরে আয়।"* *"পরীক্ষা আছে মা, এখন না।"* *"আরে আয় বলছি। তোর জন্য সম্মন্ধ এসেছে। ছেলে ঢাকায় কাজ করে...

মায়ার প্রেমের গল্প

মানুষের জীবনটা বড় অদ্ভুত। কিছু জীবন তৈরি হয় কেবলই সহ্য করার জন্য, কোনো এক অদৃশ্য খাতায় জমা হওয়া কষ্টের হিসাব মেলানোর জন্য। স্বপ্নীলের জীবনটাও তেমনই একটা পৃষ্ঠা। বাইরে শ্রাবণের আকাশ ভেঙে বৃষ্টি নামছে। ট্রেনের জানালার কাচটা ঝাপসা। স্বপ্নীল জানালার বাইরে তাকিয়ে আছে, কিন্তু সে আসলে কিছুই দেখছে না। তার ডান চোখের ঠিক নিচে কালচে একটা দাগ, শাড়ির আঁচলটা টেনে সে সেটা আড়াল করার চেষ্টা করছে। গতকাল রাতেও আনিস তাকে বেল্ট দিয়ে পিটিয়েছে। অপরাধ? তরকারিতে নুন সামান্য কম হয়েছিল। এই নরক থেকে স্বপ্নীল কোনোদিন বের হতে পারবে না। কারণ তার কোলে ঘুমিয়ে আছে চার বছরের ছোট্ট মেয়েটা—নীলু। ডিভোর্স শব্দটা ভাবলেই সমাজ, পরিবার আর নীলুর ভবিষ্যতের অন্ধকার মুখটা সামনে এসে দাঁড়ায়। তাই স্বপ্নীল মুখ বুজে সব সহ্য করে। আজ তিন বছর পর বাপের বাড়ি যাচ্ছে, তাও আনিসের হাত-পা ধরে তিন দিনের ছুটি পেয়েছে। "আপনার মেয়েটা কিন্তু দেখতে একদম পরীর মতো হয়েছে।" হঠাৎ একটা নরম, মিষ্টভাষী কণ্ঠস্বরে স্বপ্নীলের ভাবনার সুতোটা ছিঁড়ে গেল। সে তাকিয়ে দেখল, তার পাশের সিটে এক যুবক বসে আছে। চোখে চশমা, গায়ে সাধারণ একটা হালকা নীল শার্ট, কিন্তু অবয়বে...

দু কাপ চায়ের প্রেম কাহিনি

 সামান্য একটু বৃষ্টি বা জ্যোৎস্না, এক চিমটি মন খারাপ আর এক কাপ ধোঁয়া ওঠা চা ## চায়ের রঙে আঁকা জলছবি## নদীর নাম চিত্রা। নদীর ঘাটের ঠিক বাঁ দিকে একটা বুড়ো বটগাছ আছে। সেই গাছের নিচে মফিজ মিয়ার চায়ের দোকান। মফিজ মিয়ার চায়ের একটা বিশেষত্ব আছে, সে চায়ে কখনো কনডেন্সড মিল্ক দেয় না। খাঁটি গরুর দুধ জ্বাল দিয়ে লাল করে, সেই দুধে চিনি আর কড়া লিকার দিয়ে যে চা বানায়, তার স্বাদ অমৃত। তানভীর আর রিনি গত দুই বছর ধরে এই ঘাটে বসে চা খাচ্ছে। তারা দুজনেই স্থানীয় একটা কলেজের শিক্ষক। তানভীর রসায়নের, রিনি বাংলার। কলেজের ক্লাস শেষ করে প্রতিদিন বিকেলে তারা এখানে আসে। এটা এখন তাদের এক অদ্ভুত অলিখিত নিয়ম। কোনোদিন যদি রিনির আসতে দেরি হয়, তানভীর নদীর দিকে তাকিয়ে একা একা ছটফট করে। আবার কোনোদিন তানভীর কলেজের কাজে আটকে গেলে রিনি মফিজ মিয়ার বেঞ্চিতে বসে উদাস হয়ে শাড়ির আঁচল আঙুলে জড়ায়। আজ আকাশটা একটু মেঘলা। নদীর পানি কেমন কালো মতন দেখাচ্ছে। মফিজ মিয়া দুই কাপ ধোঁয়া ওঠা চা দিয়ে গেল। মাটির কাপ। তানভীর কাপে চুমুক দিয়ে বলল, "আজকের চা-টা অন্যদিনের চেয়ে একটু বেশি ভালো হয়েছে, রিনি।" রিনি চায়ের কাপে ফুঁ দিয়ে বলল, "আ...

কবি গুরুর কথায় চুরি করেছি

ম্যাজিস্ট্রেট: তুমি চুরি করেছ? চোর: না হুজুর। আমি শুধু কবিগুরুর নির্দেশ পালন করেছি! ম্যাজিস্ট্রেট: তার মানে? চোর: গতকাল মাঝরাতে একটা গান ভেসে এল..."আজ জ্যোৎস্না রাতে সবাই গেছে বনে"। ভাবলাম আমিই-বা বসে থাকি কেন? আমিও যাই, তাই বেড়িয়ে পড়লাম! ম্যাজিস্ট্রেট: তারপর? চোর: উদাস মনে হাঁটছি, হঠাৎ একটা বাড়ি থেকে আওয়াজ এল..."এসো এসো আমার ঘরে এসো আমার ঘরে"। মনে হল আমাকেই ডাকছে। টুক করে ওই বাড়িতে ঢুকে পড়লাম। ম্যাজিস্ট্রেট: বলো কি! চোর: ঘরে ঢুকেই শুনলাম..."ঘরেতে ভ্রমর এলো গুনগুনিয়ে"। বেশ আনন্দ পেলাম। বুঝলাম, আমাকে স্বাগত জানাচ্ছে। এদিক ওদিক তাকিয়ে কি করব ভাবছি, তখন শুনতে পেলাম..."এবার উজাড় করে লও হে আমার যা কিছু সম্বল"। রবীন্দ্রনাথের আদেশ তো আর অমান্য করা যায় না! সব মালপত্র একজায়গায় জড়ো করে বেঁধে ফেললাম। সঙ্গে সঙ্গে কানে ভেসে এল..."আজি দখিন দুয়ার খোলা"। পেছনের দরজা দিয়ে যখন বেড়িয়ে পড়লাম তখন বেরসিক পুলিশ এসে আমাকে ধরল। আমি কত বোঝাবার চেষ্টা করলাম, আমি চুরি করিনি, কেবলমাত্র রবীন্দ্রনাথের নির্দেশ পালন করেছি! ওরা বোধহয় রবীন্...

কাফকার পুতুলের প্রতি ভালবাসার কাহিনি

ভালোবাসা কি জানেন? 🥰 ফ্রান্ৎস কাফকা (Franz Kafka) কখনও বিয়ে করেননি এবং তার কোনো সন্তানাদিও ছিল না। তার বয়স যখন ৪০, তখন একদিন তিনি বার্লিনের পার্কে হাঁটছিলেন। এমন সময় তিনি একটি ছোট্ট মেয়েকে দেখলেন যে তার প্রিয় পুতুলটি হারিয়ে কাঁদছিল। সেই মেয়েটি এবং কাফকা, দু’জনে মিলে খুব খুঁজলেন হারিয়ে যাওয়া পুতুলটিকে। কিন্তু কোথাও খুঁজে পাওয়া গেল না তা। কাফকা মেয়েটিকে পরের দিন আবার সেখানে আসতে বললেন। উদ্দেশ্য, আবার তারা দু’জনে মিলে হারিয়ে যাওয়া পুতুলটি খুঁজবেন সেখানে। কিন্তু পরের দিনও পুতুলটিকে খুঁজে পাওয়া গেল না। তখন কাফকা ছোট্ট মেয়েটিকে একটি চিঠি দিলেন। আর বললেন, ‘এই চিঠিটি তোমার হারিয়ে যাওয়া পুতুলের লেখা’। সে চিঠিতে লেখা ছিল, ‘দয়া করে তুমি কেঁদো না। আমি পৃথিবী দেখতে বেরিয়েছি। আমি আমার রোমাঞ্চকর ভ্রমণকাহিনী তোমাকে নিয়মিত লিখে জানাব।’ এভাবেই শুরু হয়েছিল একটি গল্পের, যা চলেছিল কাফকার মৃত্যু পর্যন্ত। ছোট্ট মেয়েটির সঙ্গে কাফকার নিয়মিত দেখা হতো। আর যখনই দেখা হতো তখনই কাফকা একটি চিঠি দিতেন মেয়েটিকে, বলতেন সেই একই কথা, ‘চিঠিটি তার হারিয়ে যাওয়া পুতুলের লেখা’, এবং পড়ে শোনাতেন তার প্রিয় পুতুলের বিশ্ব-ভ্রমণের ...

ঘোড়া কাহিনি

আসসালামু আলাইকুম  ✍️জাপানের তাকামায়া গ্রামে একজন জ্ঞানী ও বৃদ্ধ কৃষক বাস করতেন। ✍️ কৃষক লোকটির একটা সুন্দর ও শক্তিশালী ঘোড়া ছিল। কৃষি কাজে , ভারী জিনিস বহনে ও নিত্যদিনের চলা ফেরায় ঘোড়াটিকে তিনি ব্যবহার করতেন।    ✍️একদিন ঘোড়াটি হারিয়ে গেলো। তাকে আর খুঁজে পাওয়া গেলো না। কৃষকের স্ত্রীর খুব মন খারাপ। কিন্তু কৃষক লোকটির কোন অস্থিরতা নেই। তার কোন আফসোস নেই। হারিয়ে যাওয়া ঘোড়ার জন্য তার কোন দুঃচিন্তা নেই। তাকে দেখে মনে হচ্ছে কোন কিছুই যেন হারায়নি।   ✍️আসে পাশের প্রতিবেশীরা এসে বললো, "তোমার কি দুর্ভাগ্য ! একটা মাত্র ঘোড়া তাও হারিয়ে গেলো "  এই কথা শুনে কৃষক লোকটি একটু মৃদু হেসে বললো , "হতে পারে"  ✍️তার কিছুদিন পর ঘোড়াটি আবার কৃষকের বাড়ি ফিরে আসলো এবং তার সাথে আরোও তিনটি বন্য ঘোড়া।   ✍️কৃষকের বাড়িতে অনেক আনন্দ। শুধু হারানো ঘোড়া ফিরে আসেনি, তার সাথে আবার আরোও তিনটা ঘোড়া।   ✍️প্রতিবেশীরা আবার দেখতে আসলো। সবাই লোকটিকে বলতে থাকলো, "তোমার কি সৌভাগ্য, হারানো ঘোড়া ফিরে পেয়েছো সেই সাথে আবার তিনটা বাড়তি ঘোড়া" ✍️কৃষক আগের মতই হাসি...

বিজ্ঞানীদের রম্য কথা

টমাস আলভা এডিসন যখন ট্যাংস্টেন তারে পৃথিবীর প্রথম বৈদ্যুতিক বাল্বটি আবিষ্কার করেন, তখন তাঁর ল্যাবে ভীষণ ভিড়-ভাট্টা। সাংবাদিক, বন্ধুবান্ধবে গিজগিজ করছে। বাল্বটি যখন প্রথমবারের মতো জ্বলে উঠল, তখন সবাই আনন্দে হই হই করে উঠল। এবার এডিসন সাবধানে বাল্বটি খুলে তাঁর চাকরের হাতে দিয়ে বললেন, ‘সাবধানে পাশের ঘরে রেখে আস’ বলার কারণেই কি না এডিসনের বেকুব চাকর পৃথিবীর প্রথম বাল্বটি তৎক্ষণাৎ হাত থেকে ফেলে ভেঙে চুরমার করে দিল। আশপাশের সবাই হায় হায় করে উঠল। ভয়ে সিঁটিয়ে গেল চাকরটি, শুধু এডিসন কিছু বললেন না। এর কিছুদিন পর দ্বিতীয়বারের মতো এডিসন বাল্বটি তৈরি করলেন। বলা যায় পৃথিবীর দ্বিতীয় বৈদ্যুতিক বাল্ব। এবারও তাঁর ল্যাবে ভিড় আগের মতোই। এবারও বাল্বটি জ্বলে উঠল। সবাই আনন্দে হই হই করে উঠল এবং এবারও এডিসন বাল্বটি সাবধানে পাশের ঘরে রেখে আসার জন্য তাঁর চাকরকে ডাকলেন। সবাই আঁতকে উঠল, ‘ছিঃ ছিঃ কি করছেন!’ ‘ওই গাধাটা আবার বাল্বটা ভাঙবে।’ ‘আপনি নিজ হাতে রেখে আসুন, নইলে আমাদের কারো হাতে দিন।’ এডিসন স্মিত হেসে বললেন, ‘ও যদি এবারও বাল্বটা ভাঙে সেটা আমি আবার তৈরি করতে পারব। কারণ এর ম্যাকানিজমটা আমার মাথায় আ...

বাবার ঋন

“বাবা তুমি তো বলেছিলে পিতৃ ঋণ কোনদিন শোধ হয় না। তুমি ছাব্বিশ বছরে আমার পেছনে যত টাকা খরচ করেছো তুমি কি জানো আমি আগামী তিন বছরে সে টাকা তোমায় ফিরিয়ে দিতে পারবো”।বাবা : ( কিছুটা মুচকি হেসে) “একটা গল্প শুনবি?”ছেলেটা কিছুটা অপ্রস্তুত হয়ে গেল। নিচু স্বরে বললো-“বলো বাবা শুনবো……”তোর বয়স যখন চার আমার মাসিক আয় তখন দু হাজার টাকা। ওই টাকায় সংসার চালানোর কষ্ট বাড়ির কাউকে কখোনো বুঝতে দেইনি। আমি আমার সাধ্যের মধ্যে সব সময় চেষ্টা করেছি তোর ‘মা কে ‘সুখী করতে। তোকে যেবার স্কুলে ভর্তি করলাম সেবার ই প্রথম আমরা দুজন- আমি-আর তোর মা পরিকল্পনা করেছি আমরা তোর পড়ার খরচের বিনিময়ে কি কি ত্যাগ করবো। সে বছর তোর মাকে কিছুই দিতে পারিনি আমি। তুই যখন কলেজে উঠলি আমাদের অবস্থা তখন মোটা মুটি ভাল। কিন্তু খুব কষ্ট হয়েগেছিল যখন তোর মা খুব অসুস্থ হয়ে পড়েছিল। ঔষধ কেনার জন্য রোজ রোজ ওভারটাইম করে বাসে করে পায়ে হেটে ঘামে ভিজে বাড়ি ফিরতে খুব দুর্বিষহ লাগতো। কিন্তু কখোনো কাউকে বুঝতে দিইনি এমনকি তোর মা কেও না। একদিন শো রুম থেকে একটা বাইক দেখে আসলাম। সে রাতে আমি স্বপ্নেও দেখেছিলাম আমি বাইকে চড়ে কাজে যাচ্ছি। কিন্তু পরের দিন ত...

অভাব কাকে বলে?

অভাব কাকে বলে ? 😢😢😥 অর্থনীতি ক্লাসে বয়স্ক একজন স্যার, রুমে ঢুকেই সামনে বসা ছেলেটিকে প্রশ্ন করলেন,  বলো তো, অভাব কাকে বলে ? -'অর্থনীতিতে বস্তুগত বা অবস্তুগত কোনো দ্রব্য পাওয়ার আকাঙ্খাকে 'অভাব' বলে।'  ছেলেটি উত্তর দিল। -এটা তো অর্থনীতির ভাষা,  সাধারণ ভাবে অভাব কাকে বলে ? অর্থাৎ 'অভাব' বলতে তুমি ঠিক কি বোঝ ? ছেলেটি মাথা নিচু করে বেঞ্চের দিকে তাকিয়ে আছে।  কি বলবে ভাবছে সে। স্যার আবার তাড়া দিলেন  'বল' ... ছেলেটি এবার বলতে শুরু করল। ১। আমি কলেজে আসার সময় মা আমাকে ভাড়া দিতে গিয়ে তার ব্যাগ তন্ন তন্ন করে খুঁজে অনেক কষ্টে ২০/৩০ টাকা বের করে দেন,  আর আমি বাড়ি থেকে বের হয়ে ৫/৭ মিনিট পর বাড়িতে ফিরে ভাড়ার টাকাটা মাকে দিয়ে বলি, মা! আজ কলেজে ক্লাস হবে না।  মা তখন বলেন, আগে খবর নিবি না ক্লাস হবে কিনা ?  মায়ের সাথে এই লুকোচুরি হচ্ছে 'অভাব'। ২। বাবা যখন রাত করে বাড়ি আসেন মা তখন বাবাকে জিজ্ঞেস করেন এত রাত হলো কেন ফিরতে ?  বাবা বলেন, 'ওভারটাইম' ছিল।  'ওভারটাইম' না করলে সংসার কিভাবে চলবে ? বাবার এই অতিরিক্ত পরিশ্রম হচ্ছে আমার কাছে 'অভাব'।...

যোগ্য শিক্ষার গল্প হাতির বাচ্চা ফেইল

জঙ্গলের রাজা বাঘ মশাই ঢাকঢোল পিটিয়ে জানিয়ে দিলো - "কোনো শিশুকে নিরক্ষর রাখা চলবে না।। সবার জন্য যথাযথ শিক্ষা সুনিশ্চিত করতে হবে।।"  সব ছেলেমেয়েদের স্কুলে পাঠাতে হবে।। পড়াশুনা শেষ হলে,, সবাইকে সার্টিফিকেট দেওয়া হবে।।  শুরু হলো সর্ব শিক্ষা অভিযান!! হাতির বাচ্চা স্কুলে এলো।‌। বাঁদর,, মাছ,, কচ্ছপ,, বিড়াল,,উট ,, জিরাফ,, সবার বাচ্চা স্কুলে পৌঁছে গেলো।।  শুরু হলো ধুমধাম করে পড়াশোনা।‌।  "ফার্স্ট ইউনিট টেষ্ট" হলো।। হাতির বাচ্চা ফেল।।  - "কোন সাবজেক্টে ফেল ??" হাতি এসে প্রশ্ন করে।‌।  -- "গাছে ওঠা" সাবজেক্টে ফেল করেছে।।"  হাতি পড়লো মহা চিন্তায়।। তার ছেলে ফেল ?? এটা কোনো ভাবেই মেনে নেওয়া যাবে না।। শুরু হলো খোঁজাখুঁজি,, ভালো টিউটর পেতেই হবে।। সন্তানের শিক্ষার ব্যাপারে কোনো রকম কম্প্রোমাইজ করা যাবে না।।  হাতির এখন একটাই টেনশন,, যেভাবেই হোক,, ছেলেকে গাছে চড়া শেখাতে হবে !! "গাছে ওঠা' সাবজেক্টে টপার করে তুলতে হবে।।  ফার্স্ট সেশন অতিক্রান্ত।। ফাইনাল রেজাল্ট আউট হলো।। দেখা গেলো - হাতি,, উট,, জিরাফ,, মাছ,, সবার বাচ্চা ফেল।। বাঁদরের বাচ্চা টপার হয়ে গেছে...

শয়তান জামাই কথা বলে না

শ্বশুরবাড়ি গিয়ে জামাই কোনো কথা বলে না। শালীরা-শালারা কত ঠাট্টা-তামাসা করতে আসে; সে কোনো উচ্চবাচ্য করে না। তখন শ্বশুর গিয়ে জামাইয়ের বাপকে বলে, “দেখুন, আপনার ছেলে আমাদের বাড়ি এসে চুপ করে বসে থাকে। কোনো কথাবার্তা বলে না। এটা যেন কেমন কেমন লাগে। সবাই বলে জামাই বোকা।” বাপ বলল, “আমার ছেলে তো বাড়িতে বেশ ভালোমতোই কথাবার্তা বলে! আচ্ছা, তাকে আমি বেশ করে ধমকিয়ে দিব।” বাড়ি এসে বাবা ছেলেকে ডেকে বলল, “কিরে শ্বশুরবাড়ি গিয়ে কথাবার্তা বলিস না কেন? সেখানে গিয়ে সকলের সঙ্গে আলাপ-সালাপ করবি। শালা-শালীদের সঙ্গে হাসি-তামাসা করবি। তবেই না লোকে বলবে, বেশ ভালো জামাই!” ছেলে মাথা নত করে রইল। বাবা বুঝল, এবার ছেলে শ্বশুর বাড়ি গিয়ে তার উপদেশ মতো কাজ করবেঈদের ছুটিতে জামাই শ্বশুরবাড়িতে এসেছে। এসে বৈঠক খানার এক কোণে চুপচাপ বসে আছে। শ্বশুর এসে জিজ্ঞাসা করল, “কি বাবাজী! চুপ করে বসে আছ কেন? বাড়িতে সবাই ভালো আছে তো?” জামাই উত্তর করল, “ভালো আর আছে কই? কয়েকদিন হল, আমার বাবার মাথা খারাপ হয়ে গিয়েছে। হাতে একটা লাঠি নিয়ে যাকে দেখেন তাকেই মারতে আসেন।” শ্বশুর বলল, “তবে তো খুব খারাপ কথা! আমি কালই তোমার বাবাকে দ...

৯০ দশকের বাচ্চাদের কি কি কারনে পেটানো হতো

★ এখনকার বাচ্চারা জানেই না আগে আমাদের কী কী কারণে পেটানো হতো ★ ১. মার খাবার পরে কাঁদলে ২. মার খাবার পরে না-কাঁদলে ৩. না-মারা সত্ত্বেও কান্নাকাটি করলে ৪. খেলা নিয়ে বেশি মেতে থাকলে ৫. না-খেললে ৬. বড়দের আড্ডায় ঢুকলে ৭. বড়দের কথার উত্তর না-দিলে ৮. বড়দের কথায় প্রম্প্ট উত্তর দিলে ৯. অনেকদিন মার না-খেয়ে থাকলে ১০. কেউ উপদেশ দেওয়ার সময় গুনগুন করে গান করলে ১১. বাড়িতে অতিথি এলে বা কারো বাড়ি গিয়ে প্রণাম না-করলে ১২. অতিথি এলে তাকে খাবারের প্লেট দিতে যাওয়ার সময় হাতসাফাই করতে গিয়ে ধরা পড়লে ১৩. অতিথি বাড়ি চলে যাওয়ার সময় তার সাথে যাওয়ার বায়না ধরলে ১৪. খেতে না-চাইলে ১৫. সন্ধে নামার আগে বাড়ি না-ফিরলে ১৬. প্রতিবেশীর বাড়িতে গিয়ে খেয়ে চলে এলে ১৭. জেদ দেখালে ১৮. অতি উৎসাহী হলে ১৯. কারো সাথে মারামারি করে হেরে এলে ২০. কাউকে বেশ করে পিটিয়ে এলে ২১. স্লো মোশনে খেলে ২২. ফাস্ট ফরোয়ার্ড স্কেলে খেলে ২৩. সকালে ঘুম থেকে উঠতে না-চাইলে ২৪. রাতে ঘুমোতে না-চাইলে ২৫. অতিথিরা খাওয়ার সময় খাবারের দিকে হাঁ করে তাকিয়ে রইলে। ২৬. শীতকালে চান করতে না চাইলে ২৭. গ্রীষ্মে বেশীক্ষণ চান করলে ২৮. অন্যের গাছ থেকে আম, পেয়ারা পেড়ে খেলে ২৯. ...

উম্মে আইমান এর গল্প

" না, তুমি বিয়ে করেছো,আমার মাকে" -- জায়েদ ইবনে হারিসা(রাঃ),কে নবীজি হজরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম।  আমাদের নবীর পিতা আব্দুল্লাহ, একদিন মক্কার বাজারে গিয়েছিলেন কিছু কেনা-কাটা করার জন্য I এক জায়গায় তিনি দেখলেন, এক লোক কিছু দাস- দাসী নিয়ে রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে বিক্রি করছে। আব্দুল্লাহ দেখলেন সেখানে দাঁড়িয়ে আছে একটা ছোট নয় বছরের কালো আফ্রিকান আবিসিনিয়ার মেয়ে I মেয়েটাকে দেখে আব্দুল্লাহর অনেক মায়া হলো, একটু রুগ্ন হালকা-পাতলা কিন্তু কেমন মায়াবী ও অসহায় দৃষ্টি দিয়ে তাঁকিয়ে আছে I তিনি ভাবলেন ঘরে আমেনা একা থাকেন, মেয়েটা পাশে থাকলে তার একজন সঙ্গী হবে I এই ভেবে তিনি মেয়েটাকে কিনে নিলেন I মেয়েটিকে আব্দুল্লাহ ও আমেনা অনেক ভালোবাসতেন I স্নেহ করতেন I এবং তারা লক্ষ্য করলেন যে, তাদের সংসারে আগের চেয়েও বেশি রাহমাত ও বরকত চলে এসেছে I এই কারণে আব্দুল্লাহ ও আমেনা মেয়েটিকে আদর করে নাম দিলেন "বারাকাহ"I এই গল্প, বারাকার গল্প I তারপর একদিন আব্দুল্লাহ, ব্যবসার কারণে সিরিয়া রওনা দিলেন I আমেনার সাথে সেটাই ছিল উনার শেষ বিদায় I উনার যাত্রার দুই এক দিন পর আমেনা...

শিক্ষনীয় গল্প ছেলে বাবার কাছে ১০০০০টাকা চাইলো

খাবার টেবিলে বসে মার দিকে তাকিয়ে চোখে ইশারা করলাম আমার কথাটা বাবাকে বলতে। মা ভয়ে ভয়ে বাবার দিকে তাকিয়ে বললো ' ইয়াহইয়া' ১০ হাজার টাকা চেয়েছিলো। ওর বন্ধু বান্ধবরা মিলে কয়েকদিনের জন্য কক্সবাজার যাবে সেজন্য... বাবা আমার দিকে তাকিয়ে বললো, -কবে যাবি? আমি বললাম, -- এই তো ৫ দিন পর যাবো.. বাবা নিচের দিকে তাকিয়ে খেতে খেতে বললো, - তাহলে এক কাজ কর ৩ দিন দোকানে একটু সময় দে। আমি ৩ দিনের জন্য একজায়গায় যাবো। এসে তকে টাকাটা দেই... আমি খুশিতে হাসতে হাসতে বললাম, -- ঠিক আছে বাবা.. পর দিন সকালে দোকানে গেলাম। আমাদের ছোটখাটো একটা কাপড়ের দোকান আছে। মাঝে মাঝে আমি দোকানে আসলেও কখনো দোকানে বসা হয় নি। আজকেই প্রথম দোকানে বসলাম। দোকানে দুইটা কর্মচারী আছে ওরা সব আমায় বুঝিয়ে দিচ্ছে। আমার কাজ হলো কোন কাপড়ে কত টাকা লাভ হয়েছে সেটা লিখে রাখা আর মাঝে মাঝে কাস্টমারদের কাপড় দেখানো... একটা কাস্টমারকে ২০টার মত শার্ট দেখানোর পর কাস্টমারটা বললো, ~না ভাই পছন্দ হয় নি। আমি অবাক হয়ে বললাম, -- এত গুলোর মাঝেও পছন্দ হয় নি? উনি বললেন, - না... মুখটা গোমড়া করে যখন শার্ট গুলো যখন ঠিক করছিলাম তখন কর্মচারী ছেলেটা হেসে বললো, ~ভাইয়া, ...

শিক্ষনীয় গল্প পিতার অবদান( লোহানি সাহেবের)

টাকা উড়ানো সহজ,উপার্জন নয়! পড়ুন শিল্পপতি লোহানী সাহেবের ছেলের বাস্তব জীবনের শিক্ষনীয় গল্প: ................................................................................................ ঘটনাটি ১৯৯৭ সনের, আমি আমার শিল্পপতি বাবা লোহানী সাহেবের একমাত্র ছেলে রবিন চৌধুরী। তখন আমি এ লেভেলের ছাত্র। একে তো শিল্পপতির ছেলে তার উপর ইংলিশ মিডিয়ামে পড়াশুনা করি ভাবই আলাদা। ফ্রেন্ডস নিয়ে ক্লাবে ক্লাবে পার্টি, ট্যুর, নতুন নতুন ড্রিংকস করা, সব কিছু মিলিয়ে অন্য রকম একটা মাস্তির লাইফ কাটছিল। বন্ধুদের মধ্যে আমার লিডার লিডার একটা ভাবছিলো। তার কারন আমি সবচেয়ে বেশি খরচ করতাম। একদিন প্লান করলাম বন্ধুরা মিলে থাইল্যান্ড যাব ট্যুরে। আর আমার এইবারের বার্থডে সেখানেই সেলিব্রেট করবো। এর মধ্যে আমার দুই বন্ধু একটু গরীব তাদের খরচ আমাকে বহন করতে হবে। আজ বাবা বাসায় ড্রয়িং রুমে বসে কফি খাচ্ছে। বাবার সামনে যেতেই আমি কিছু বলার আগে বাবা বললো এমাউন্ট কতো?? না মানে বাবা সামনে আমার জন্মদিনতো তাই মানে এই আর কি। বাবা উচ্চ স্বরে রেগে গিয়ে বললো আমি তোমাকে জিজ্ঞেস করেছি এমাউন্ট কত?? ২ লক্ষ বাবা। হুম!!! জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান তুমি। ...

টিউশানির গল্প পুলিশের ছেলে

************প্রকৃত শিক্ষা*********** ========================== একটা টিউশনি করবে? : কোথায়? : ষোলশহর। : ছাত্র না ছাত্রী? : ছাত্র।অষ্টম শ্রেণিতে পড়ে। : ছাত্র পড়াব না। : বিরাট পুলিশ অফিসারের ছেলে। বাবা ডিআইজি। ভালো বেতন দেবে। ভালো নাস্তা পাবে। আরে এতো বড়ো পুলিশের ঝাড়ুদার হতে পারাও ভাগ্যের। সুপারিশে চাকরিও হয়ে যেতে পারে। দুদিন পর আইজিপি হবেন। টিউশনি শুধু টাকা নয়, টাকার চেয়ে বড়ো কিছু। এটি বিসিএস-প্রস্তুতির একটি মোক্ষম কৌশল, টাকা তো আছেই। রাজি হয়ে যাই রাজীবের প্রস্তাবে। রাজীব বলল : বেতন মাসে আটশ টাকা। সে সময় আটশ অনেক মোটা অঙ্কের টাকা। এত আকর্ষণীয় বেতনের টিউশনিটা রাজীব নিজে না-করে কেন যে আমাকে দিচ্ছে বুঝতে পারছিলাম না। কিছু সমস্যা তো আছেই! : তুমি করছ না কেন? : আমার সময় নেই। ডিআইজি সাহেবের ছেলের নাম ওমর। ফর্সা, তবে ধবধবে নয় কিন্তু বেশ মায়াময়। বিশাল বাসা, বারান্দায় দামি ফুলের টব। চারিদিকে সমৃদ্ধির ছড়াছড়ি। রাজীব আমাকে পরিচয় করিয়ে দিয়ে চলে গেল। ওমর সালাম দিয়ে বলল : স্যার, বিড়াল প্রথম রাতেই মেরে ফেলা উচিত। আমার কথা নয়, আমার ডিআইজি বাবার কথা, ঠিক না? : ঠিক। কিন্তু বিড়াল কোথায়? : আছে স্যার, আছে। অনে...

ডার্টন ভ্যাংচির হোটের ওয়েটার কাহিনি

ফারহান আরিফ ২৮/০৫/২০২০ ডার্টন ভ্যাংচি ছোট বেলা স্কুল টিচারকে বলেছিল স্যার আমি আপনার বাইকের হাওয়া ছেড়ে দিয়েছি আপনি এখন বাড়ী ফিরবেন কি করে? হাওয়া ছেড়ে দেওয়ার কথা শুনে স্যারের প্রচন্ড রাগ হয়ে যায় আর কোন কথা ছাড়াই ডার্টন ভ্যাংচিকে খুব পরিমান বেতের আঘাত করে, অথপর ক্লাস শেষে স্যার বাইকের চাকা টিপে দেখে হাওয়া ঠিক আছে, তখন স্যার আবার ফিরে আসে ডার্টন ভ্যাংচির কাছে এবং লজ্জায় লজ্জায় বলে ডার্টন  বাইকের হাওয়া তো ঠিক আছে, তুমি মিথ্যা বল্লে কেন? আর কেন  বা বিনা দোষে মার খেলে? ডার্টন ভ্যাংচি হাসি হাসি মুখে বল্ল,স্যার আমি পরিক্ষা করছিলাম মানুষ হটাৎ তার প্রিয় অথবা প্রয়োজনীয় বস্তুুর ক্ষতির কথা শুনলে কি করে, সাভাবিক ভাবে মেনে নিতে পারে কিনা, ঠিক তখন সে সত্য মিথ্য যাচায়ের অপেক্ষা করে কিনা। আইন নিজের হাতে তুলে নেয় কিনা" স্যার ডার্টন ভ্যাংচির এইটুকু বয়সে এমন আচারন দেখে অবাক হয়ে বলেছিল জানি না ভবিষ্যৎ তোমার জন্য কি নিয়ে অপেক্ষা করছে, ডার্টন ভালো লেগেছে তোমার এই পরিক্ষা চালিয়ে যাও" ডার্টন ভ্যাংচি ছিল জারজ সন্তান তার পিতা মাতার কোন খবর কেউ বলতে পারে না,নাইট ক্লাবের টয়লেটে রাতের বেলা তাকে (টডবেল) নামক...

সাহাবীর মৃত্যুর কাহীনি

‎ একদিন নবী করিম (সাঃ)এর একজন সাহাবী মারা গেলেন রাসূল পাক (সাঃ) উনার জানাজা পড়ালেন I তারপর একদল সাহাবী মৃতদেহ কবর দেয়ার জন্য কবরস্থানে নিয়ে আসলেন I সবার সাথে আমাদের নবী করিমও (সাঃ)হেঁটে হেঁটে আসলেন I দুই জন সাহাবী কবর খুঁড়তে শুরু করলেন I সবাই মৃত দেহকে ঘিরে বসে আছেন I কবর খনন শেষ না হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করছেন I সবাই চুপচাপ, নীরব ও শান্ত একটি পরিস্থিতি I নবীজি গভীর মনোযোগ দিয়ে কবর খোঁড়া দেখছিলেন একটু পর সবার দিকে তাঁকিয়ে জিজ্ঞেস করলেন, "তোমরা কি জানো, মানুষ মারা যাওয়ার পর, তাঁর আত্মার কি হয় ?" সবাই খুব আগ্রহ নিয়ে নবীজি কে বললেন, -ইয়া রাসূলুল্লাহ ! আমাদেরকে বলুন I নবীজি একটু চুপ করে থাকলেন I সবাই উনার কাছে এসে ঘিরে বসলেন I মৃত্যুর পর আত্মার কি হয়, এই তথ্য তাঁদের জানা ছিল না I আজ সেটা নবীজির মুখে শুনবেন I কত বড় সৌভাগ্য I শুনার জন্য সবাই অধীর আগ্রহে নবীজির কাছে এসে বসলেন I তিনি একবার কবরের দিকে তাকিয়ে মাথাটা তুলে আকাশের দিকে তাকালেন তারপর তিনি গল্পের মত করে বলতে শুরু করলেনI "শুনো, যখন মানুষ একেবারেই মৃত্যু শয্যায়, তখন সে মৃত্যুর ফেরেস্তাকে দেখে ভয় পেয়ে যায়...

বুড়ির ঔষধ খাওয়ার গল্প

🤣🤣🤣 এক বুড়ি ময়মনসিংহের বাসে উঠেছে !  বাসে উঠেই সে হেল্পারকে বলল, ভালুকা আইলে আমারে কইয়েন ! হেল্পার তাকে আশ্বস্ত করে বললোঃ ঠিক আছে,ঠিক আছে। বাস চলতে শুরু করলো। বুড়ি দুই মিনিট পরেই হেল্পারকে বললোঃ ভালুকা আইছে? হেল্পার উত্তরে ‘না’ বলল !  কিন্তু বুড়ি দুই মিনিট পর পর হেল্পারকে এই প্রশ্ন করতে লাগল! হেল্পার ও বাসের যাত্রীরা বিরক্ত হয়ে বুড়িকে ধমক দিল! বুড়ি তখন ভয়ে চুপ। এদিকে বাস চলতে চলতে ভালুকা ছাড়িয়ে সামনের স্টপেজের মাঝামাঝি চলে এলো। তখন হেল্পারের মনে পড়লো যে,  বুড়িমা তো ভালুকার কথা বলে রেখেছিল!  বাসের সব যাত্রী তখন হেল্পারকে বকাঝকা করে বাস ঘোরাতে বললো।  তো বাস আবার ঘুরিয়ে ভালুকায় এলো।  হেল্পার বুড়িকে বললোঃ বুড়িমা, ভালুকা আসছে ! আপনে নামেন ! বুড়ি চোখ কুঁচকে জবাব দিলঃ নামমু কে? আমি যাইয়াম মমিসিং (ময়মনসিংহ) ডাক্তার আমারে ডাহাত্তন (ঢাকা থেকে) একটা ট্যাবলেট খাওয়াইয়া কইছে ভালুকায় গিয়া আরেকটা খাইতে ! আমি এখন ট‍্যাবলেট খাইবাম! পানি দে ! হেল্পার বেহুশ  (কপি ) 

বুড়ি আর ব্যংক ম্যনেজার এর বাজি

ব্যাংকে এসে এক বুড়ি মহিলা ব্যাংক ম্যানেজারকে বললঃ আমি কিছু টাকা ব্যাংকে রাখতে চাই... ম্যানেজার জিজ্ঞেস করলঃ কত আছে? . বুড়ি বললঃ হবে ১০ লাখের মত.... ম্যানেজার বললঃ বাহ! আপনার কাছে বেশ ভালোই টাকা আছে। আপনি করেন কি? বুড়ি বললঃ তেমন কিছু না খোকা । ক্রিকেটসহ বিভিন্ন খেলায় বাজি লাগাই। আর বাকি সময় সবার সাথে যেকোনো ব্যাপারে বাজি খেলি। ম্যানেজার বললঃ শুধু বাজি লাগিয়েই এত টাকা জমিয়েছো? তাজ্জব ব্যাপার ! বুড়ি বললঃ তাজ্জবের কিছু নেই খোকা। আমি এখুনি এক লাখ টাকা বাজি ধরতে পারি যে, তোমার মাথায় ফলস চুল লাগানো... ম্যানেজার হাসতে হাসতে বললঃ না দিদা। আমি এখনো যথেষ্ট যুবক ।আর মাথায় ফলস চুল লাগানো নেই। বুড়িঃ তাহলে লাগাবে কি বাজি? ম্যানেজার মনে মনে ভাবল, এই বুড়ি পাগল মনে হচ্ছে। যাই হোক ১ লাখ টাকা ফ্রিতে কামানো যাচ্ছে, তো অত ভেবে লাভ কি...? ম্যানেজার রাজি হয়ে গেলো... বুড়ি বললঃ যেহেতু এক লাখ টাকার ব্যাপার তাই আমি কাল সকাল ১১ টায় আমার উকিল নিয়ে এই কেবিনে আসব। আর ওর সামনেই প্রমান করা হবে। আপনি কি রাজি ? ম্যানেজার বললঃ ঠিক আছে। আমি রাজি। ম্যানেজারের রাতে ঘুম আসলো না, সারা রাত ঐ বুড়ি আর ১ লাখ টাকার...