Skip to main content

হাদি কে কেনো সরিয়ে দেয়া হলো?

হাদি কে কেনো সরিয়ে দেয়া হলো?
এই প্রশ্নটা এখন আমার কাছে আর স্রেফ একটি প্রশ্ন নয়—এটা যেনো একটি কেইস ফাইল, যেটা আমি যতই বন্ধ করতে চাই, ততই খুলে বসে। খুব করে ভাবি, একটা কষ্ট অহর্নিশ তাড়া করে ফেরে—আমি সরাতে পারি না। একজন অনুসন্ধানকারীর মতো বারবার ফিরে যাই একই জায়গায়, একই দৃশ্যে, একই শূন্যতায়। অনেক মানুষ আসলে কোনো দিন জানবেই না আমরা আসলে কি হারিয়েছি।
 
আমরা আমাদের শব্দকে হারিয়েছি, আমাদের অভিব্যক্তিকে হারিয়েছি, আমাদের ভাষাকে হারিয়েছি। আমাদের মনের গহীনের এক অব্যক্ত ভাষা যা হাদি’র জবানীতে ব্যক্ত হতো, আমাদের কল্পণা যা অন্ধকারের বস্ত্রহরণ করে অজেয় সূর্যের আলোক রশ্মি হয়ে বিচ্ছুরিত হতো। হাদি ছিলো আমাদের ভাবনার বহিঃপ্রকাশ, হাদি ছিলো সেই কন্ঠস্বরের মুখপাত্র—যা ফ্যাসিবাদের হৃদয়ে কাঁপন ধরিয়ে দিতো।
 
আমি আমার নোটে লিখে রাখি—
তারা জানতো, হাদিকে হজম করা সম্ভব নয়;
তারা জানতো, হাদিকে কিনে ফেলা সম্ভব নয়;
তারা জানতো, এই অগ্নিবীণার ইথার তরঙ্গ বজ্র নিনাদে সব জঞ্জাল চূর্ণ করে দেবে।
 
সুতরাং, তদন্তের প্রথম লাইনেই দাঁড়িয়ে যায় একটি সিদ্ধান্ত—হাদিকে সরিয়ে দেয়া ছাড়া তাদের আর কোনো উপায় ছিলো না।
 
ঘটনার টাইমলাইন যখন সাজাতে শুরু করি, তখনই প্রথম অস্বাভাবিকতা চোখে পড়ে। যেদিন হাদিকে গুলি করা হলো, ঠিক সেদিনই তারেক লন্ডন থেকে ঢাকায় ফেরার ঘোষণা দিলেন—আগেও নয়, পরেও নয়। একজন অনুসন্ধানকারী হিসেবে এই মিলটাকে আমি কাকতালীয় বলে পাশ কাটাতে পারি না। শোক ও শ্রদ্ধার নিদর্শন হিসেবে সে ঘোষণাটি তো দু’এক দিন পরেও দেয়া যেতো—যেতো তো, তাই না?
 
এই প্রশ্নটাই আমাকে দ্বিতীয় ফাইলে নিয়ে যায়।
 
খালেদা মৃত্যুর দুয়ারে—সারা দেশের মানুষ চেয়েছে তারেক ফিরে আসুক, শিয়রে ছেলেকে দেখলে তিনি শান্তি পেতেন। দেশের আপামর জনগণ চেয়েছে তারেক ফিরে আসুক। কিন্তু সবাইকে অবাক ও হতাশ করে তিনি ঘোষণা দিলেন—দেশে ফিরে আসা তার একক সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করে না। একজন তদন্তকারীর চোখে এই বক্তব্যের মানে খুব স্পষ্ট—তিনি নিয়ন্ত্রিত। আরো সহজ ভাষায় বললে, তিনি যাদের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত তারা তাকে দেশে আসার সবুজ সংকেত দিচ্ছিলো না।
 
তফসীল ঘোষণা এবং হাদি’কে সরিয়ে দেয়াই কি তাহলে তারেকের দেশে আসার পথে বাঁধা ছিলো?
 
এই প্রশ্নটাকে আমি আলাদা করে মার্ক করি। তফসীল ঘোষণা কোন দিন হবে তা তো অনেক দিন আগেই নির্ধারিত হয়ে গিয়েছিলো—কিন্তু সে মুতাবেক দেশে ফেরার কোনো পদক্ষেপই নেননি তারেক। বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয় থেকে জানানো হলো তারেক দেশের ফেরার ট্রাভেল পাস নেননি, এমনকি ট্রাভেল পাসের জন্যে আবেদনও করেননি। লন্ডনস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস থেকে তারেকের সাথে যোগাযোগ করা হলো—তিনি চাইলে দূতাবাস কর্মকর্তা তার বাসায় গিয়ে ট্রাভেল পাসের আবেদনের ব্যবস্থা করবেন। কিন্তু তারেক সম্মতি দিলেন না। একজন তদন্তকারীর নোটে এই জায়গায় লেখা থাকে—“ইচ্ছাকৃত বিলম্ব?”
 
তফসীল ঘোষণা নির্ধারিত, তার পরেও তিনি দেশে আসার প্রস্তুতি নিচ্ছেন না কেনো? তার মা ‘ক্লিনিক্যালি ডেড’, তখনও তিনি দেশে আসার কোনো উদ্যোগ নেননি। পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয় থেকে বলা হলো—তারেক যদি ফিরতে চান তাহলে সরকার সব রকম ব্যবস্থা করবে—কিন্তু যার জন্যে এতো উদ্যোগ, তিনি নীরব এবং অনিচ্ছুক! অথচ, যখনই হাদিকে গুলি করা হলো, তার ঠিক কয়েক ঘন্টা পরেই তারেক ঘোষণা দিলেন তিনি দেশে ফিরছেন।
 
এই ঘটনা কি কাকতালীয়?
 
এখানে আমার তদন্তে একের পর এক প্রশ্ন উত্থাপিত হয়।
 
প্রথমতঃ তারেক কি জানতেন দেশে অস্বাভাবিক কিছু হতে যাচ্ছে, যাতে সারা দেশের দৃশ্যপট বদলে যেতে পারে? খেয়াল করে দেখুন, হাদি’র খুনী মাসুদ করিম ফয়সলের প্রেমিকা কি বলেছিলো—সে এমন কাজ করতে যাচ্ছে যার ফলে সারাদেশ উলট-পালট হয়ে যাবে। কাজেই হাদি’র খুনের নেপথ্যে ‘গডফাদার’ যারা ছিলো তাদের সাথে তারেকের যোগাযোগ ছিলো—এমন প্রশ্ন উত্থাপন করা কি অমূলক হবে?
 
দ্বিতীয়তঃ অনেক নাটকীয়তার পর হাদি’র খুনী ভারতে ধরা পড়লো। খুনীর অবস্থান নিয়ে শুরুতেই একটি চক্র ধূম্রজাল তৈরী করেছিলো। কে খুন করলো, কিভাবে খুন করলো, কিভাবে পালিয়ে গেলো—সব জানে এক সবজান্তা শমসের। একটি খুনের আদ্যোপান্ত ও খুনী পালিয়ে যাওয়ার ঘটনা সাথে সাথে সেই শমসের জানে কিভাবে? এতো দ্রুত বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় রাষ্ট্রীয় গোয়ান্দা সংস্থাগুলো কোনো খুনের ঘটনার কিনারা করতে পেরেছে—এমন নজীর নেই। CIA, MI6, KGB—এদের কারোই এই রেকর্ড নেই। আছে শুধু কথিত এক অনুসন্ধিৎস্যু ‘সাংঘাতিক’ এর। কাজেই যারা এই খুনের নেপথ্যে ছিলো তারাই এই ঘটনার খবর এই ‘সাংঘাতিক’ এর মাধ্যমে প্রকাশ করেছে—এই প্রশ্ন করা যায় তো, তাই না? তা না হলে লন্ডনে বসে এই ‘সাংঘাতিক’ এতো কিছুর ‘real time’ আপডেট দেয় কিভাবে?
 
তৃতীয়তঃ ফয়সল তো ‘foot soldier’ ছিলো—‘গডফাদার’ কারা? কারা ফয়সলকে নিয়োগ করেছিলো? ফয়সল তো জেলে ছিলো—কোন আইনজীবী জামিন করিয়েছে, কোন বিচারক অতিদ্রুততার সাথে জামিন দিয়েছে—এসব তো আমরা সবাই জানি। জামিন করানো আইনজীবী বিএনপি’র জানু রাজনীতিবিদদের কে ‘টেক্কা’ দিয়ে ডেপুটি স্পিকারের পদ ভাগিয়ে নিয়েছেন—অবাক করা উলম্ব উত্থান নয়কি? সামান্য ‘নোক্তা’ দিয়ে রাখলাম।
 
চতুর্থতঃ জামিন করানো আইনজীবীকে কে বা কারা ‘hire’ করেছিলো? তাদের কি এই আইনজীবীকে ডেপুটি স্পিকার বানানোর ক্ষমতাও আছে? হ্যাঁ—আছে। কি, চোখ কপালে গিয়ে ঠেকছে? খানিক অপেক্ষা করুন, একটু পরেই সব পরিষ্কার হয়ে যাবে।
 
পঞ্চমতঃ হাদি’র খুনির একাউন্টে অস্বাভাবিক লেনদেন হয়েছিলো। ব্যাংকে যাদের বেশি ক্যাশ হ্যান্ডলিং করার অভিজ্ঞতা আছে তারা জানেন—ঐ রকমের একাউন্টগুলোকে ব্যাংকের কর্তা ব্যক্তিরা কতটা নজরদারীর মধ্যে রাখেন। ফয়সলের ক্ষেত্রে তার কিছুই করা হয়নি—যা ব্যাংকের শীর্ষ পর্যায়ে লিয়াজো না থাকলে সম্ভব নয়। ফয়সলের একাউন্ট ছিলো ‘ঢাকা ব্যাংক’ এ। ঢাকা ব্যাংকের মালিক হলো মির্জা আব্বাস। আরেকটি ‘নোক্তা’ দিলাম।
 
এদিকে হাদি’র খুনী ধরা পড়ার পর থেকেই ‘মারাত্মক অসুস্থ’ মির্জা আব্বাস সিঙ্গাপুরে আছেন। তার স্বাস্থ্যের কোনো আপডেট দল কিংবা পরিবারের পক্ষ থেকে দেয়া হচ্ছে না। অনেকে অনেক কথা বললেও কোনো উত্তর মিলছে না।
 
ষষ্ঠতঃ সেনাবাহিনী হাদি’র ওপর ক্ষিপ্ত ছিলো। কারণ খুব পরিষ্কার—শত শত আওয়ামী দুর্বৃত্তের অভয়ারণ্য ছিলো ক্যান্টনমেন্ট। ওয়াকার ও হাসিনার ফ্যাসিবাদের দোসর জেনারেলরা ঐ দুর্বৃত্তের দলকে আশ্রয় দিয়ে পরবর্তীতে ভারতসহ অন্যান্য দেশে পালিয়ে যেতে সহযোগিতা করেছিলো। ফ্রন্টলাইনারদের মধ্যে এ ব্যাপারে হাদিই ছিলো সবচেয়ে বেশি সোচ্চার। গুম ও খুনের সাথে জড়িত জেনারেলরা যদি জুলাই বিপ্লবের বিরুদ্ধে দাঁড়ায় তাহলে ক্যান্টনমেন্টের ইট খুলে নিয়ে আসার ঘোষণা দিয়েছিলো হাদি।
 
সপ্তমতঃ ভারতীয় আধিপত্যবাদ বিরোধী সংগ্রামে তরুণ প্রজন্মের সিপাহশালার ছিলো হাদি। ভারতীয় নাম্বার থেকে প্রতিনিয়ত হত্যার হুমকি পেতো সে। তরুণ প্রজন্মকে যেভাবে উজ্জীবিত করেছিলো, সেটা ছিলো কল্পণাতীত—যা কেবল ক্যারিশমাটিক লিডারদের পক্ষেই সম্ভব।
 
হাদি বেঁচে থাকলে তাদের সকল প্ল্যান ভেস্তে যেতো। যে ঢেউ ছড়িয়ে পড়েছিলো তাতে ঢাকার ১টি আসনেও বিএনপি’র জেতা কষ্টকর হতো। ‘বিএনপি-আওয়ামীলীগ-ভারত’ এই ত্রয়ের সমঝোতায় যদি বিএনপি জিতেও যেতো, তবে পার্লামেন্ট হতো ঝুলন্ত। সরকার হতো নড়বড়ে। দুর্বল সরকার দিয়ে ‘জুলাই সনদ ও রাষ্ট্র সংস্কার’ কে ঘায়েল করা যেতো না। নির্বাচনের মাঠে হাদি থাকলে বিএনপি কোনো ভাবেই ‘Brute Majority’ পেতো না।
 
এবার আসুন সবগুলো ডট একসাথে মিলিয়ে দেখি।
 
কোলকাতার ‘আনন্দবাজার’ পত্রিকার রিপোর্টের কথা মনে পড়ে। ভারতের সাথে কোন তিন সমঝোতায় ‘খালেদাপুত্র’ দেশে ফিরেছিলেন?
 
বাংলাদেশে ভারতীয় ‘asset’ কে নিরাপত্তা দেবে—এই শর্তেই তারেকের ‘সিকিউরিটি ক্লিয়ারেন্স’ মিলে ছিলো। এবার বুঝতে পারছেন—তারেক কেনো বলেছিলেন তার দেশে ফেরা একক সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করে না এবং আমাদের অন্য সবার মতো তার স্বাধীন সিদ্ধান্ত নেবার সুযোগ নেই?
 
এই কারণেই গুম অধ্যাদেশ বাতিল করা হয়েছে—কারণ এতে ওয়াকারসহ অন্যান্য খুনি জেনারেলরা ফেঁসে যাবে। গুমের শিকার অনেকেই হিন্দিতে জিজ্ঞাসাবাদ কিংবা কথা বলতে শুনেছেন—সে কথা তারা মিডিয়াতেও বলেছেন। গুমের বিচার চলমান থাকলে ভারতেও সংশ্লিষ্টতা প্রমাণিত হয়ে যাবে। জট খুলতে শুরু করেছে—তাই না?
 
বিএনপি’কে ক্ষমতায় বসানো ছাড়া ভারতের হাতে কোনো ‘option’ ছিলো না। প্রায় ১০০টি আসন যেখানে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে এবং যে কারো জয়-পরাজয় অনিশ্চিত—সেগুলোতে ইঞ্জিনিয়ারিং করা হয়েছে।
 
‘Narrow margin’ এ জয় লাভ করা ৯৫% আসন জিতেছে বিএনপি—এবার বুঝতে পারছেন ঘটনা কি ঘটেছে?
 
২০০৮ এর নির্বাচন যে পাতানো ছিলো সেটা বুঝতে দেশের অধিকাংশ মানুষের ১০ বছরের বেশি সময় লেগেছে। অনেকে এখনো জানে না যে ঐ নির্বাচনটি ব্যাপকভাবে পাতানো ছিলো। অসচেতনতার জন্যে এভাবেই আমাদের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলা হয়—আর আমরা অন্ধকারেই রয়ে যাই।
 
প্রসঙ্গত বলে রাখি, ইলেকশান ইঞ্জিনিয়ারিং কিংবা তা মোকাবেলার জামায়াতের কোনো অভিজ্ঞতা নেই—কারণ ভোটের মাঠে জামায়াত এতো বড় রাজনৈতিক শক্তি কখনোই ছিলো না। ভোট জালিয়াতির ‘হেডমাস্টার’ হলো আওয়ামীলীগ এবং বিএনপি’রও ভালো অভিজ্ঞতা আছে। তাই আওয়ামীলীগের সাথে জালিয়াতিতে পেরে না উঠলেও জামায়াতের চোখে ধুলো দিতে তাদের কোনো সমস্যাই হয়নি—আর সাথে আওয়ামীলীগের সহযোগিতা তো ছিলোই। জামায়াত যখন জালিয়াতি টের পেয়েছে—তার অনেক আগেই খেলা শেষ হয়ে গিয়েছিলো। অর্থাৎ, একটি পাতানো নির্বাচনে বিএনপি’কে ‘Brute Majority’ দেয়া হয়েছে যাতে সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে গণভোট, জুলাই সনদ ও রাষ্ট্র সংস্কারকে গলাটিপে ধরা যায়—এবং হচ্ছেও তাই।
 
ভেবে দেখুন তো—যদি ঝুলন্ত পার্লামেন্ট হতো—হাদি, নাসির উদ্দিন পাটোয়ারী, ব্যারিস্টার ফোয়াদ এবং শিশির মনির’রা সংসদে!
 
হাদিকে হত্যা করে তারা ভয় উৎপাদন করেছে, নাসির উদ্দিন পাটোয়ারীর এজেন্টদের কে দাঁড়াতেই দেয়নি। ফোয়াদ ও শিশির মনির’দের আগেই হারিয়ে দেয়া হয়েছে। ভূয়া ফ্যামিলি কার্ড ছাপিয়ে ‘লোক ঠকিয়ে’ ভোটের বাক্স ভরার বন্দোবস্ত করা হয়েছে। সুস্পষ্টভাবে নির্বাচনী বিধি ভঙ্গ করা হয়েছে—নির্বাচন কমিশনকে কোনো আওয়াজ করতে দেখেছেন?
 
সবশেষে চলুন কেস ফাইলের শেষ পাতায় দৃষ্টি দেই—
হাদি হত্যা—ভারত খেলেছে পর্দার অন্তরালে, ওয়াকার এন্ড গং ছিলো মাঠে। তারেক, শিলিং সালাউদ্দিন ও মির্জা আব্বাসরা জানতো। এই কিলিং মিশনের জন্যেই অস্ত্র মামলার আসামী ফয়সলকে অস্বাভাবিক দ্রুততায় জামিনে বের করে আনা হয়েছে। তারাই তাজুল ইসলামকে ট্রাইব্যুনাল সরিয়ে দিয়েছে এবং জামিনের পুরস্কার স্বরূপ কায়সার কামালকে ডেপুটি স্পিকার বানিয়েছে। চুপ্পুর মেয়াদ শেষ হলে মেজর হাফিজ কে রাষ্ট্রপতি এবং কায়সার কামাল কে স্পিকার বানানো হবে। সরল অর্থ হলো—কায়সার কামাল ‘Backup President’।
 
এই ছকে তো হাদিকে রাখা যায় না—সরিয়ে দিতে হয়। তাই সরিয়ে দেয়া হয়েছে।
 
হাদি হত্যা কাণ্ডের ‘বেনিফিসিয়ারী’ কারা?
যারা ‘বেনিফিসিয়ারী’ তারা এই মূল পরিকল্পনার কোনো না কোনো পর্যায়ে যুক্ত ছিলো—এই প্রশ্ন উত্থাপন করলে খুব কি অমূলক হবে?
 
প্রশ্ন রেখে গেলাম।
 
মইনুল হক 
ডেট্রয়েট, মিশিগান।

Comments

Popular posts from this blog

Books poem analysis with bangla

Books poem in bangla and with analysis Verse-wise Bangla Translation: What worlds of wonder are our books! As one opens them and looks, New ideas and people rise In our fancies and our eyes. আমাদের বইগুলো কী আশ্চর্য এক জগৎ! যখনই কেউ তা খুলে দেখে, নতুন ভাবনা আর নতুন মানুষ জেগে ওঠে কল্পনায় ও চোখের সামনে। The room we sit in melts away, And we find ourselves at play With some one who, before the end, May become our chosen friend. আমরা যে ঘরে বসে আছি, তা যেন মিলিয়ে যায়, আর আমরা আবিষ্কার করি নিজেদের খেলায় মত্ত কাউকে সঙ্গে নিয়ে, যে হয়তো শেষ পর্যন্ত আমাদের প্রিয় বন্ধু হয়ে উঠবে। Or we sail along the page To some other land or age. Here's our body in the chair, But our mind is over there. অথবা আমরা পৃষ্ঠার ওপর দিয়ে ভাসতে থাকি অন্য কোনো দেশ বা কালের দিকে। আমাদের শরীরটা রয়েছে চেয়ারে, কিন্তু মন চলে গেছে দূরে অন্য কোথাও। Each book is a magic box Which with a touch a child unlocks. In between their outside covers Books hold all things for their lovers. প্রতিটি বই একেকটি জাদুর বাক্স, যা শিশুরা এক ...

🚀 ৫০টি দরকারি কিবোর্ড শর্টকাট (Windows)(বাংলা ব্যাখ্যাসহ)

🚀 ৫০টি দরকারি কিবোর্ড শর্টকাট (Windows) (বাংলা ব্যাখ্যাসহ) (অজানা কিন্তু খুবই কাজে লাগে) ⸻ ১. Ctrl + N → নতুন ফাইল বা ডকুমেন্ট খুলবে (Word, Notepad, Browser ইত্যাদিতে)। ২. Ctrl + Shift + T → আগে বন্ধ হয়ে যাওয়া ব্রাউজার ট্যাব পুনরায় খুলবে। ৩. Ctrl + Shift + Left/Right Arrow → একসাথে পুরো শব্দ নির্বাচন করা যাবে। ৪. Alt + F4 → অ্যাপ বা উইন্ডো বন্ধ হবে। ৫. Ctrl + P → প্রিন্ট ডায়ালগ বক্স খুলবে (প্রিন্ট করার জন্য)। ⸻ ৬. Ctrl + A → সব ফাইল বা টেক্সট সিলেক্ট হবে। ৭. Ctrl + C → কপি করা যাবে। ৮. Ctrl + V → পেস্ট করা যাবে। ৯. Ctrl + X → কাট করা যাবে। ১০. Ctrl + Z → সর্বশেষ কাজ Undo হবে। ⸻ ১১. Ctrl + Y → Undo করা কাজ Redo হবে। ১২. Windows Key + E → File Explorer খুলবে। ১৩. Windows Key + D → ডেস্কটপ দেখাবে (সব মিনিমাইজ হবে)। ১৪. Ctrl + Shift + Esc → সরাসরি Task Manager খুলবে। ১৫. Windows Key + L → কম্পিউটার লক হবে। ⸻ ১৬. Windows Key + S → সার্চ অপশন চালু হবে। ১৭. Windows Key + R → Run কমান্ড চালু হবে। ১৮. F5 → রিফ্রেশ করবে। ১৯. Alt + Enter → Properties খুলবে। ২০. Ctrl + T → ব্রাউজারে নতুন ট্যাব খু...

70 speaking rules(1~20)

Spoken Rule-1 Feel like – ইচ্ছা করা/আকাঙ্খা প্রকাশ করা প্রয়োগ ক্ষেত্র: ব্যক্তির কোন কিছুর “ইচ্ছা করলে” Feel like ব্যবহার হবে Structure: Subject + feel like + Verb (ing) + Extension. Example ✪ I feel like doing – আমার করতে ইচ্ছা করছে। ✪ I feel like eating – আমার খেতে ইচ্ছা করছে। ✪ I don’t ...