ইট, পাথরের দালান-কোঠায় মস অনেকেই দেখেছি। ক্ষুদ্র, সবুজ উদ্ভিদের চাদর।
অন্যান্য বড় বড় গাছ প্রতি এক বর্গমিটার জায়গা থেকে যতটুকু CO2 শোষণ করে, মস তার চারগুণ বেশি কার্বন ডাই-অক্সাইড শুষে নেয় (যদিও, তার মানে এই নয়, একটা মস একটা গাছের চেয়ে বেশি CO2 শোষণ করে)।
মস সংখ্যায় বেশি থাকে। জন্মে ভেজা জায়গায়। তাই এরা লম্বা সময় ধরে সালোকসংশ্লেষণ করতে পারে। ফলে এক বর্গমিটার জায়গা থেকে সারাদিন ধরে প্রচুর কার্বন ডাই-অক্সাইড শোষণ করে এরা।
একই কারণে, প্রচুর পানি ধরে রাখতে হয় এদেরকে। এই পানি বাষ্পীভূত হওয়ার সময় পরিবেশ থেকে তাপ শুষে নেয়। এতে আশপাশ ঠান্ডা থাকে। প্রাকৃতিক 'এয়ার কুলার' এর মতো কাজ করে মস।
এই গরমে শহরের গ্রিন ইনফ্রাস্ট্রাকচারে মস অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে। খরচও কম, দেখাশোনারও দরকার নেই, কিন্তু খুবই কার্যকর। প্রতিবেদন: বিজ্ঞানপ্রিয়।
Comments
Post a Comment