Skip to main content

Posts

Showing posts from 2026

প্রতিদিন একটি করে Vocabulary শিখি Despicable

প্রতিদিন একটি করে Vocabulary শিখি Despicable Meaning : Very bad, cruel, or disgusting—deserving hatred or contempt জঘন্য ,ঘৃণ্য, নিন্দনীয় Pronunciation : • UK: /dɪˈspɪk.ə.bəl/ • US: /dɪˈspɪk.ə.bəl/ Despicable 👉 ডিস্পিকেবল (উচ্চারণ: dis-pi-kuh-bəl) Parts of Speech : • Adjective (বিশেষণ): Despicable = জঘন্য, ঘৃণ্য, নিন্দনীয় • Noun (বিশেষ্য): Despicability = জঘন্যতা, নিন্দনীয়তা • Adverb (ক্রিয়া বিশেষণ): Despicably = জঘন্যভাবে • Related Verb (সম্পর্কিত ক্রিয়া): Despise = ঘৃণা করা Synonyms সমার্থক) : 1. Contemptible (ঘৃণ্য) 2. Shameful (লজ্জাজনক) 3. Vile (নিকৃষ্ট) 4. Disgraceful (অপমানজনক) 5. Heinous (জঘন্য অপরাধমূলক) Antonyms (বিপরীত) : 1. Admirable (প্রশংসনীয়) 2. Noble (মহৎ) 3. Respectable (সম্মানজনক) 4. Honorable (সম্মানীয়) 5. Virtuous (সৎ) Prepositions : 1. Despicable for – He was punished for his despicable act. 👉 তার জঘন্য কাজের জন্য তাকে শাস্তি দেওয়া হয়েছে। 2. Despicable to – His behavior is despicable to everyone. 👉 তার আচরণ সবার কাছে...

ইদের নতুন চাঁদ দেখার চেয়ে

ইদের নতুন চাঁদ দেখার চেয়ে তোমাকে এক নজর দেখার ইচ্ছে অনেক বেশি…! ইদের চাঁদ তো বছরে একবারই আসে, আকাশ জুড়ে তার সৌন্দর্য ছড়িয়ে দেয়, মানুষের মুখে হাসি ফোটায়, মনে আনন্দ জাগায়— কিন্তু আমার কাছে সেই চাঁদের আলোও ফিকে লাগে, যখন তোমার কথা মনে পড়ে… কারণ, চাঁদকে শুধু দূর থেকে দেখা যায়, আর তোমাকে আমি দেখতে চাই একদম কাছ থেকে— তোমার চোখের ভেতর হারিয়ে যেতে চাই, তোমার হাসির ভেতর আমার সব সুখ খুঁজে নিতে চাই… সবাই যখন ইদের চাঁদ দেখার অপেক্ষায় থাকে, আমি তখন অপেক্ষা করি— কবে তোমাকে একটুখানি দেখবো, কবে তুমি চোখে চোখ রাখবে, কবে তোমার মায়াভরা হাসিটা আমার জন্য ফুটবে… এই ইদে চারপাশে কত রঙ, কত আলো, কত আনন্দ— নতুন জামার গন্ধ, মিষ্টির স্বাদ, সবার ব্যস্ততা— সবকিছুই যেন সম্পূর্ণ, তবুও কোথাও একটা শূন্যতা রয়ে যায়… কারণ এই আনন্দের ভিড়েও তুমি নেই… মানুষজন যখন প্রিয়জনদের সাথে সময় কাটায়, হাসি-খুশিতে মেতে ওঠে, ছবি তোলে— আমি তখন চুপচাপ তোমার কথা ভাবি, ভাবি যদি আজ তুমি পাশে থাকতে, এই ইদটা হয়তো আমার জীবনেই সবচেয়ে সুন্দর ইদ হয়ে যেত… রাতের আকাশে চাঁদটা যখন জ্বলজ্বল করে, আমি তখন তাকিয়ে থাকি আর ভাবি— এই একই চাঁদটা কি তুমিও দেখছো? এ...

সপ্নীল চক্রবর্তীর লেখা কয়েকটি কবিতা

স্বপ্নীল চক্রবর্ত্তীর কয়েকটি কবিতা আমার শোকসভায় সভাপতিত্ব করুক কোনো বিপত্নীক একলা চড়ুই; চড়ুই এর চাইতে আর বেশী কেইবা জানে,ঘর ভেঙে যাওয়ার দুঃখ। আমার শোকশভায় দীর্ঘশ্বাস ফেলুক শতাব্দীর সবচাইতে প্রাচীণ অশ্বথ, সেই দীর্ঘশ্বাস ছড়িয়ে যাক আমার প্রেমিকার উঠোনে,অন্তত একটা দ্বিপ্রহর তার মন খারাপ থাকুক৷ আমার শোকসভায় সমাপনী বক্তব্য পেশ করতে দেওয়া হোক আমার সবচাইতে কাছের শত্রুটিকে, অকপটে সে বলে ফেলুক আমি কতটা উন্মাদ ছিলাম। আমার শোকসভায় কান্নার আওয়াজ তুলুক আমার এলাকার বৃদ্ধ কুকুর টা, ওর কান্নায় অন্তত কোনো ভান থাকবেনা। আমার শোকসভা কোনো ডাস্টবিনের পাশে হোক, ছড়িয়ে যাক দুর্গন্ধ,সভ্য মানুষেরা অজুহাত দেখিয়ে চলে যাক সভা শেষ হওয়ার আগেই। আমার শোকসভায় বৃষ্টি হোক; বৃষ্টিতে কাকভেজা হয়ে সভা পন্ড হয়ে গেলেও এককোণায় বসে থাকুক একটা শহুরে কাক; যদি এক টুকরো মাংস অন্তত জোটে। শোকসভা ©স্বপ্নীল চক্রবর্ত্তী এই শহরে আমি অভাব বলতে যা বুঝি আমি তাদের নাম দিয়েছি ভালোবাসা; এই শহরে আমি ঘৃণা বলতে যা বুঝি আমি তাদের নাম রেখেছি সম্পত্তি,মালিকানা। এই শহরে যা কিছু অভ্যেস,যা কিছু ভাবায় খুব; তাদের আমি স্মৃতি বলি। এই শহরে যারা বুঝ...

৪০ টি বাছাই করা মোনাজাত এর দোয়া

কোরআন থেকে বাছাই করা চল্লিশ টি দোয়া আপনার কালেকশনে রাখুন এবং প্রতিদিন পড়ুন : কোরআনের দোয়া (আরবি, উচ্চারণ ও অর্থ) ১. দুনিয়া ও আখিরাতের কল্যাণ আরবি: رَبَّنَا آتِنَا فِي الدُّنْيَا حَسَنَةً وَفِي الْآخِرَةِ حَسَنَةً وَقِنَا عَذَابَ النَّارِ উচ্চারণ: রব্বানা আতিনা ফিদ্দুনিয়া হাসানাহ, ওয়া ফিল আখিরাতি হাসানাহ, ওয়াকিনা আযাবান নার অর্থ: হে আমাদের রব, আমাদেরকে দুনিয়ায় কল্যাণ দাও, আখিরাতেও কল্যাণ দাও এবং আগুনের শাস্তি থেকে রক্ষা কর। (২:২০১) ২. হেদায়েতের পরে হৃদয় না বাঁকানোর দোয়া আরবি: رَبَّنَا لَا تُزِغْ قُلُوبَنَا بَعْدَ إِذْ هَدَيْتَنَا উচ্চারণ: রব্বানা লা তুযিগ কুলুবানা বা‘দা ইয হাদাইতানা অর্থ: হে আমাদের রব, তুমি আমাদেরকে হেদায়েত দেওয়ার পর আমাদের হৃদয়কে বাঁকা করে দিও না। (৩:৮) ৩. ক্ষমা ও রহমতের দোয়া (আদম আ.) আরবি: رَبَّنَا ظَلَمْنَا أَنفُسَنَا উচ্চারণ: রব্বানা যালামনা আনফুসানা অর্থ: হে আমাদের রব, আমরা নিজেদের উপর জুলুম করেছি। যদি তুমি আমাদের ক্ষমা না করো ও দয়া না করো তবে আমরা ক্ষতিগ্রস্ত হব। (৭:২৩) ৪. জ্ঞান বৃদ্ধির দোয়া আরবি: رَبِّ زِدْنِي عِلْمًا উচ্চারণ: রব্বি যিদনী ইলমা অ...

মধ্যবয়স এ সম্পর্কের যত্ন নিবেন

মধ্য বয়সে যেভাবে দাম্পত্য সর্ম্পকের যত্ন নিবেন👨‍❤️‍💋‍👨👨‍❤️‍💋‍👨 মধ্যবয়স এমন একটি সময়, যখন দাম্পত্য জীবনে একসাথে কাটানো বছরের অভিজ্ঞতা যেমন থাকে, তেমনি থাকে ক্লান্তি, দায়িত্বের চাপ, অর্থনৈতিক পরিকল্পনা, সন্তানের ভবিষ্যৎ নিয়ে দুশ্চিন্তা এবং শারীরিক পরিবর্তন। অনেক সময় দেখা যায়, সম্পর্ক ভাঙে না, কিন্তু ধীরে ধীরে উষ্ণতা কমে যায়। কথা হয়, কিন্তু গভীরতা থাকে না। পাশে থাকা হয়, কিন্তু সংযোগ থাকে না।  মধ্যবয়সে দাম্পত্য সন্তুষ্টি অনেক দম্পতির ক্ষেত্রে কমে গেলেও সচেতন প্রচেষ্টার মাধ্যমে তা আবার বাড়ানো সম্ভব। সম্পর্ক টিকে থাকে শুধু ভালোবাসায় নয়, বরং প্রতিদিনের ছোট ছোট আচরণ, সম্মান, যোগাযোগ ও যত্নে। 😊 নিচে ১২টি বিস্তৃত ও গবেষণাভিত্তিক টিপস তুলে ধরা হলো। ১. নিয়মিত ও গভীর যোগাযোগ গড়ে তুলুন 🗣️ শুধু দৈনন্দিন কাজের কথা নয়, নিজের ভেতরের অনুভূতি, ভয়, আশা, হতাশা—এসব নিয়েও কথা বলুন। অনেক সময় আমরা ধরে নিই, সঙ্গী বুঝে নেবে; কিন্তু না বললে বোঝা সম্ভব নয়।  ২. একসাথে মানসম্মত সময় কাটানোর অভ্যাস করুন ⏳ মধ্যবয়সে ব্যস্ততা বেড়ে যায়—অফিস, পরিবার, আত্মীয়তা, সামাজিক দায়বদ্ধতা। কিন্তু সম্পর্কের জন্য আলাদা ...

অনেক তো মুনাজাত করেছেন

জীবনে অনেক তো মুনাজাত করেছেন! এবার উত্তমরূপে এইভাবে একবার করুন। ✅নিজের জন্য দোয়ার লিস্ট আমাদের দু'আর সবচেয়ে বেশি হক্কদার আমরা নিজেরাই। রাসুলুল্লাহ্ (সা)এর সুন্নাহ, কারো জন্য দু'আ করলে প্রথমে নিজের জন্য দু'আ করা। (মুসনাদে আহমদ ২১২৪৭ (৫/১২১) দু'আ লিস্টটাতে আমি নিজের জন্য দুনিয়া ও আখিরাতের বেসিক চাওয়াগুলোই লেখার চেষ্টা করেছি। আপনারা অবশ্যই আপনাদের নোটবুকে দু'আগুলো নোট করে নিবেন। এসব ছাড়াও আমাদের প্রত্যেকের ব্যক্তিগত অনেক অনেক প্রয়োজন আছে। সেসবও নোট করে রাখার চেষ্টা করবেন। ছোট-বড় সকল প্রয়োজন আল্লাহকে বলবেন। খুব করে আল্লাহর কাছে চাইবেন। বেশি বেশি চাইবেন। দু'আতেই সব সুখ! একমাত্র দোয়াই ভাগ্য পরিবর্তন করতে পারে, মৃত্যু পর্যন্ত পিছিয়ে যায় (নেক হায়াৎ বৃদ্ধি পায়)। ইয়া আল্লাহ, ইয়া হাইয়্যু ইয়া কাইয়্যুম, ইয়া জাল জালালি ওয়াল ইকরাম, আমাকে দুনিয়া ও আখিরাতে কল্যাণ দাও। তুমিই আল্লাহ, তুমি ছাড়া কোনো ইলাহ নেই। আমি তোমার নিকট আশ্রয় চাচ্ছি জাহান্নাম ও কবরের আযাব থেকে। আমি তোমার কাছে পানাহ চাই তাকদিরের খারাপ কিছু থেকে। হে আল্লাহ! আমার উপর তোমার রহমত, দয়া, বরকত, শান্তি, ক্ষমা বর্ষণ করো।...

সন্তানের জন্য ১০ উপদেশ

ছেলের জন্য ১০ উপদেশ বাদল সৈয়দ ১) একটি প্রবাদ আছে, তাহলো— 'তুমি যদি দৌড়ে জেতার জন্য উপরওয়ালার সাহায্য চাও, তিনি তোমাকে খুব ভালো রানিং সু কেনার ক্ষমতা দেবেন, কিন্তু দৌড়টা তোমাকেই দিতে হবে।'  পরম করুণাময় তাকেই সাহায্য করেন, যে চেষ্টা করে। ২) সঠিক সিদ্ধান্তের জন্য প্রয়োজনে একা হয়ে যাবি। মনে রাখবি, ঈগল উড়ে একা, কবুতর উড়ে ঝাঁকে ঝাঁকে। কিন্তু দিনশেষে ঈগলই পাখির রাজা। ৩) অন্যের ভার বইবি— কিন্তু নিজের সাধ্যের মধ্যে। নয়ত দুনিয়ার সব মানুষ তোকে গাধা বানিয়ে পিঠে চেপে বসবে। ৪) প্রতিশ্রুতি হীরার চাইতেও দামি। এর দাম বইতে না পারলে প্রতিশ্রুতি দিবি না। ৫) ভদ্রতার বিকল্প নেই— তবে শুধু ভদ্রতা বজায়ের স্বার্থে অন্যের ছাতা হয়ে নিজে ভিজবি না। ৬)লাইফপার্টনারকে ফ্যামিলি ড্রামা থেকে রক্ষা করা তোর দায়িত্ব। বাংলাদেশের মেয়েরা সবচেয়ে বেশি কষ্ট পায় ফ্যামিলি ড্রামায়। ৭) তোর সফলতায় সবাই হাততালি দেবে, এটা আশা করবি না। ৮) পরামর্শ দরকার হলে বুদ্ধিমানের কাছে যাবি। তবে মনে রাখবি শিক্ষিত মানেই বুদ্ধিমান নয়— হার্ভার্ড থেকে পাশ করা অনেক বেকুবও আছে। ৯) পরিবারের প্রতি দায়িত্ব যে পুরুষ পালন করে না, সে একা মারা যায়— কারণ প...

সেলস ম্যান শিপ

📚 সৈয়দ মুজতবা আলী ও অন্নদাশঙ্কর রায়–এর দোকানের গল্প একদিন সৈয়দ মুজতবা আলী গেলেন এক দোকানে। জিজ্ঞেস করলেন, “ডায়মন্ড বলপেন আছে?” সেলসম্যান সরাসরি বললো, “নেই।” এখানেই প্রথম ভুলটা হলো। ক্রেতা একটা নির্দিষ্ট জিনিস চেয়েছেন—তা নেই মানে কি তার প্রয়োজনটাই শেষ? না। তার প্রয়োজন বলপেন, ব্র্যান্ড না। মুজতবা আলী চলে যাচ্ছিলেন। হঠাৎ আবার ফিরে এসে জিজ্ঞেস করলেন, “অন্য কী বলপেন আছে?” সেলসম্যান তখন তালিকা ধরলো—পাওয়ার, সুলেখা, ব্রাইট… অর্থাৎ পণ্য ছিল, বিকল্প ছিল, কিন্তু উপস্থাপন ছিল না। এখানেই মুজতবা আলীর শিক্ষা— সেলসম্যানশিপ মানে শুধু জিনিস বিক্রি না, ক্রেতার প্রয়োজন বোঝা। যখন তিনি “ডায়মন্ড” চেয়েছিলেন, উত্তরটা হওয়া উচিত ছিল— “ডায়মন্ড নেই স্যার, তবে পাওয়ার, সুলেখা, ব্রাইট আছে। দেখতে পারেন।” অর্থাৎ “না” বললেও দরজা বন্ধ করা যাবে না। “না”-র সাথে “এই আছে” যোগ করতে হয়। সেলসম্যানরা লজ্জিত হলো, কিন্তু শিখলো। কিছুক্ষণ পর এলেন সাহিত্যিক অন্নদাশঙ্কর রায়। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, “টয়লেট পেপার আছে?” এবার শিক্ষিত সেলসম্যান আত্মবিশ্বাসের সাথে বললো— “টয়লেট পেপার একটু আগে শেষ হয়ে গেছে। তবে শিরিষকাগজ আছে। দেবো?” এখানেই দ্বিত...

হাজারো ব্যাথা বেদোনার পরেও গজল

হাজারও ব্যাথা বেদনার পরে ফিরে আসনি তুমি আপন ঘরে দ্বীনের আলো তুমি ছড়িয়ে দিতে চলে গেলে মদীনায় মক্কা ছেড়ে হে রাসূল.... তোমাকে ভুলি আমি কেমন করে (২) খেয়ে না খেয়ে দ্বীন প্রচারের কাজে নিজেকে দিয়েছো বিলিয়ে তায়েফের কাফেরেরা চিনলো না এ আলো দুষ্টু ছেলেদের পিছু দিল লেলিয়ে (২) পাথরের আঘাতে ক্ষতবিক্ষত হয়ে সারা শরীর থেকে রক্ত ঝরে হে রাসূল.... তোমাকে ভুলি আমি কেমন করে (২) হেরার গুহায় তোমারই ধ্যান আসমান থেকে নামে আল-কোরআন (২) ভাঙ্গল সবার ভুল তোমারই পরে আসলো কোরআনের ছায়াতলে খালিদ উমর আলী আবু বকর ইসলামী ঝান্ডা নিল যে তুলে (২) আল-আমিন তুমি ছিলে যে সদা সকল মানুষের তরে হে রাসূল.... তোমাকে ভুলি আমি কেমন করে (২) হাজারও ব্যাথা বেদনার পরে ফিরে আসনি তুমি আপন ঘরে দ্বীনের আলো তুমি ছড়িয়ে দিতে চলে গেলে মদীনায় মক্কা ছেড়ে হে রাসূল.... তোমাকে ভুলি আমি কেমন করে (৩)

গুরুত্বপূর্ণ ১০০টি MCQ নিচে দেওয়া হলো। এই প্রশ্নগুলো শিক্ষক নিয়োগ (NTRCA), বিভাগীয় পরীক্ষা এবং প্রশাসনিক প্রস্তুতি

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (DSHE) কর্তৃক প্রকাশিত এমপিও নীতিমালা ও জনবল কাঠামো ২০২৫-এর আলোকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ১০০টি MCQ নিচে দেওয়া হলো। এই প্রশ্নগুলো শিক্ষক নিয়োগ (NTRCA), বিভাগীয় পরীক্ষা এবং প্রশাসনিক প্রস্তুতির জন্য বিশেষভাবে কার্যকর। অংশ ১: এমপিও নীতিমালা ২০২৫ (১-৪০) ১. এমপিও (MPO) নীতিমালা ২০২৫ অনুযায়ী সহকারী শিক্ষক পদের এন্ট্রি লেভেলের বেতন গ্রেড কত? A) ১০ম গ্রেড B) ১১তম গ্রেড C) ১২তম গ্রেড D) ১৬তম গ্রেড উত্তর: B) ১১তম গ্রেড > ব্যাখ্যা: নীতিমালার জনবল কাঠামো অনুযায়ী, সরাসরি নিয়োগপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষক (বিএড বিহীন) ১১তম গ্রেডে যোগদান করেন। বিএড সম্পন্ন করলে তিনি ১০ম গ্রেডে উন্নীত হন। ২. বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে 'সিনিয়র শিক্ষক' পদটি পেতে কত বছর সন্তোষজনক চাকরি প্রয়োজন? A) ৫ বছর B) ৮ বছর C) ১০ বছর D) ১২ বছর উত্তর: C) ১০ বছর > ব্যাখ্যা: সহকারী শিক্ষক হিসেবে ১০ বছর সন্তোষজনক চাকরি পূর্ণ হলে তিনি উচ্চতর গ্রেডপ্রাপ্ত হয়ে 'সিনিয়র শিক্ষক' হিসেবে গণ্য হন। ৩. এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বাৎসরিক ইনক্রিমেন্ট মূল বেতনের কত শতাংশ? A) ৩% B) ৫% C) ১০% D) ৮% উত্তর: B) ৫% ...

বাচ্চাদের জন্য সহজ ইংরেজি

1️⃣ I am happy. (আই অ্যাম হ্যাপি) – আমি খুশি। 2️⃣ I am sad. (আই অ্যাম স্যাড) – আমি দুঃখিত। 3️⃣ I am fine. (আই অ্যাম ফাইন) – আমি ভালো আছি। 4️⃣ I am hungry. (আই অ্যাম হাংরি) – আমার ক্ষুধা লেগেছে। 5️⃣ I am thirsty. (আই অ্যাম থার্স্টি) – আমার পিপাসা লেগেছে। 6️⃣ I am tired. (আই অ্যাম টাইয়ার্ড) – আমি ক্লান্ত। 7️⃣ I am sleepy. (আই অ্যাম স্লিপি) – আমার ঘুম পাচ্ছে। 8️⃣ I am scared. (আই অ্যাম স্কেয়ার্ড) – আমি ভয় পাচ্ছি। 9️⃣ I am ready. (আই অ্যাম রেডি) – আমি প্রস্তুত। 🔟 I am sorry. (আই অ্যাম সরি) – আমি দুঃখিত। 1️⃣1️⃣ This is my book. (দিস ইজ মাই বুক) – এটা আমার বই। 1️⃣2️⃣ That is your pen. (দ্যাট ইজ ইয়োর পেন) – ওটা তোমার কলম। 1️⃣3️⃣ This is my bag. (দিস ইজ মাই ব্যাগ) – এটা আমার ব্যাগ। 1️⃣4️⃣ I like milk. (আই লাইক মিল্ক) – আমি দুধ পছন্দ করি। 1️⃣5️⃣ I like rice. (আই লাইক রাইস) – আমি ভাত পছন্দ করি। 1️⃣6️⃣ I like fruits. (আই লাইক ফ্রুটস) – আমি ফল পছন্দ করি। 1️⃣7️⃣ I like to play. (আই লাইক টু প্লে) – আমি খেলতে পছন্দ করি। 1️⃣8️⃣ I like my school. (আই লাইক মাই স্কুল) – আমি আমার স্কুল পছন্দ করি। 1️⃣9️⃣ ...

ভালই হইছে তুমি চইলা গেছো,

ভালোই হইছে তুমি চইলা গেছো— থাইকা গেলে ম্যালা ক্ষয়ক্ষতি হইতো। ঘন্টায় ঘন্টায় ফোন কইরা কি করো, কেমন আছো? সারাদিন এইসব খোজখবর নিয়া বাড়াবাড়ি রকম মায়া দেখাইতে হইতো। দুইবেলা ভাতের জায়গায় আমার একবেলা কম খাইলেও চলতো, কিন্তু তোমার লগে একবেলা কথা কম হইলে আমার চলতো না। মনের ভিতর খচখচ করতো, অস্থির অস্থির লাগতো।  ভালোই হইছে তুমি চইলা গেছো— তুমি থাইকা গেলে আমি কোনোদিনও একলা বাঁচা শিখতাম না। জ্বর হইলে প্যারাসিটেমলের বদলে খুঁজতে হইতো তোমার হাত। তুমি ছাড়া নিজেরে কাছে নিজেরে মনে হইতো ডানা ভাঙা আহত পাখি। খোলা আসমান পাইতাম ঠিকি কিন্তু উড়তে পারতাম না। তার চাইতে ভালোই হইছে তুমি চইলা গেছো— তুমি থাইকা গেলে পিরিত কইমা যাইতো। বছরের পর বছর এক পাতিলে, এক বাটিতে পাকখাইয়া যাইতে যাইতে মুখে অরুচি বাধঁতো, তিক্ততা চইলা আসত। তুমিও তো একবেলা ঝগড়া হইলে পরের বেলা ভাবতা ভুল মানুষের লগে থাইকা গেলাম না তো? মনে মনে ঘৃণার পাহাড় বানাইয়া ভিতরে ভিতরে ছটপট কইরা মরতা, কিন্তু কাউরে কইতে পারতা না। খারাপ লাগতো, পালাইতে চাইতা, কিন্তু পরতা না। সব চইলা যাওয়ার মাঝে যেমন প্রস্থান নাই,  তেমনই সব পাইয়া যাওয়ার মাঝেও অর্জন নাই। তুমি থাই...

কোথায় গেলে আপনারে পাওয়া যায়,

মানুষ কয় অর্ধেক রুটি খরচ করলে কুকুর প্রেমে পইড়া যায়,অর্ধেক সিগারেট খরচ করলে শত্রু বন্ধু হইয়্যা যায়, অথচ আমি আপনারে ভালোবাইসা আপনার লাইগ্যা আমার আস্ত একখান জীবন খরচ কইরা দিবার পরও আপনি মানুষখান আমার হইলেন না। দুনিয়ার কোন ভিক্ষুক অমন কইরা কারোও দরজায় ভিক্ষা চায় নাই, আমি যেমন কইরা আপনার দরজায় একচিমটি ভালোবাসা ভিক্ষা চাইছি। দুনিয়ার কোন মানুষ জীবন হারাইবার ভয়ে অমন হাউমাউ কইরা কাইন্দা উঠে নাই, আমি যেমন কইরা আপনারে হারানো ভয়ে কাইন্দা উঠছি। দুনিয়ার কোন ক্ষুধার্ত মানুষ খাওনের লাইগ্যা অত নতজানু হয় নাই। আমি যতখানি আপনার পাওনের লাইগয়া নতজানু হইছি। কোন নিঃসন্তান মা'ও সন্তান পাওনের লাইগাও অমন কইরা মাজার মসজিদে কপাল ঠেকায় নাই, আমি যেমন কইরা আপনারে পাওনের লাইগ্যা কপাল ঠেকাইছি। কোনো বেকার ছাওয়াল অমন কইরা চাকরি খুঁজে নাই আমি যেমন কইরা আপনারে পাওয়ার তরিকা খুঁজছি। দুনিয়ার বেবাক মানুষ বুঝল, আপনারে আমার লাগবোই লাগবো—শুধু আপনি মানুষখান বুঝলেন না।  আপনারে গাঙ্গের জলে পাইলো, পথের ধূলে পাইলো, গাছের ফুলে পাইলো, আসমানের বৃষ্টি পাইলো, সমুদ্ররের জলে পাইলো, কবিতার ছন্দে পাইলো, গানে সুরে পাইলো, কতো অজানা অচেনা মা...

O me o life

ছাত্রী কে এই কবিতা পড়াচ্ছিলাম। এইটা নবম দশম শ্রেণীর ইংলিশ ফর টুডে বইয়ের ইউনিট ১ এর লেসন ৩ এ আছে। যদিও নিজের ছাত্রবস্থায় এই বইখানা আমি কখনো খুলেও দেখি নি, তবে সেই উপদেশ যদি আমি ছাত্রছাত্রীদের দিতে যাই তাহলে দিন দুয়েকের মাঝেই আমারে গার্ডিয়ান লাল সালাম সহিত পত্রপাঠ বিদায় জানিয়ে দিবেন। যাই হোক, ক্রিঞ্জ সারক্যাজম বাদ দিয়ে আসল কথায় আসি।  এই কবিতার আসলে সামারি কি? এই কবিতাটি মানুষের অস্তিত্বের সংকট এবং জীবনের উদ্দেশ্য নিয়ে লেখা। কবিতার প্রথম অংশে কবি নিজের জীবন এবং চারপাশের জগত নিয়ে গভীর বিষাদ প্রকাশ করেছেন । বিশেষত ঢাকার মতো যান্ত্রিক কোনো শহরের কোনো এক কোনায় যন্ত্রের মতো ছুটে চলা মানুষের কথা বলেছেন তিনি। নিজেকেও তিনি সেই কাতারেই ফেলেছেন। আবার মানুষ হিসেবে নিজের দোষের কথাও বলেছেন যেমন বিশ্বাস হীনতা। মানুষের জীবন এমনই। জন্মায়, কামলা খাটে, ভাত খায়, মরে যায়! তাহলে জীবনের সার্থকতা কোথায়? উদ্দেশ্য কী জীবনের? তবে কবিতায় কিছু উত্তর ও দেয়া আছে। আপনি যে বেঁচে আছেন  আর আপনার যে নিজের পরিচয় আছে এটাই কি অনেক বড় কিছু না? হ্যাঁ নিজেকে মোটিভেট করতে গেলে মাঝে মাঝে এসব কথায় বিশ্বা...

পঁয়ত্রিশের ধাক্কা পঞ্চাশে।বাদল সৈয়দ।

পঁয়ত্রিশের ধাক্কা পঞ্চাশে। বাদল সৈয়দ। 'Fifty is not just age— it is an audit.' 'পঞ্চাশ শুধু বয়স নয়- আগে কী করেছেন তার হিসাবনিকাশও।' আপনার কি পঁয়ত্রিশ চলছে? তাহলে আপনাকে কিছু অভ্যাস রপ্ত করতে হবে—কিছু পাল্টাতে হবে। নইলে পঞ্চাশে গিয়ে বিশাল ধাক্কা খাবেন। পঞ্চাশ হচ্ছে ভাঙচুরের বয়স। আস্তে আস্তে বয়স ঝেঁকে বসে, শরীর দুর্বল হয়, ব্যাধি ঘর বাঁধে। আর্থিক দুশ্চিন্তা প্রবল হয়, ছেলেমেয়ের ভবিষ্যৎ নিয়ে কপালে ভাঁজ পড়ে। এজন্যই অনেকে পঞ্চাশ পেরুলে বলেন—‘অন দ্য রং সাইড অব ফিফটি।’ তাই পঁয়ত্রিশ বছর থেকেই পঞ্চাশের ঝামেলা মোকাবেলার পরিকল্পনা করতে হবে। অনেক কিছু করতে হবে—অনেক কিছু ছাড়তে হবে। চলুন, দেখি সেগুলো কী? ক) হেলথ ডিমান্ডস ইন্টারেস্ট। আপনি যদি এখন থেকে শরীরের যত্ন না নেন—নিশ্চিত ধরে নেবেন পঞ্চাশে স্বাস্থ্য সুদ আদায় করবে। এ সুদ হচ্ছে চিকিৎসা খরচ। এমনিতেই পঞ্চাশ খুব ভঙ্গুর সময়। সে সময় শরীরে ভাঙচুর না চাইলে এখন শরীরের যত্ন নিন। ১) হালকা ব্যায়াম করুন। ২) নিয়মিত আধা ঘণ্টা হাঁটুন। ৩) পরিমিত খান। ৪) অস্বাস্থ্যকর খাবার বাদ দিন। ৫) পর্যাপ্ত ঘুমান। খ) টেনশন অ্যান্ড ‘টেল অব টোল’। পঁয়ত্রিশ বছর মানসি...